ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইবার হামলার শিকার ডিএমপি নিউজ, ওয়েবসাইটে আপত্তিকর বার্তা খুলনায় রাতের আঁধারে যুবককে কুপিয়ে হত্যা: এলাকায় আতঙ্ক রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা হাফিজ গ্রেপ্তার দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসংগঠকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রী রুট নিয়ে অসন্তোষ সত্ত্বেও আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ নেতানিয়াহুর পতনে আরবদের সঙ্গে জোট গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ সাজেকে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: ফের ১২ ঘণ্টার নতুন অবরোধ ঘোষণা যুদ্ধের শেষ পরিণতি আমরাই ঠিক করব: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কঠোর বার্তা ৮৬ বছর পর লা লিগায় অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা

রমজানের আগে চাল-ডাল-চিনির দাম ঊর্ধ্বমুখী


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৭ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৮:৩২ পিএম

আর মাত্র একমাস পর পবিত্র রমজান মাস (চাঁদ দেখা সাপেক্ষে) শুরু হতে যাচ্ছে। প্রতিবছর রমজানের আগে নিত্যপণ্যের বাজারে দাম সহনীয় রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বাস্তবে তার প্রভাব বেশ কম লক্ষ্য করা যায়। এবারের রমজান মাসেও চাল, ডাল ও চিনিসহ অন্যান্য নিত্যপণ্যের বাজারে দাম বাড়তে পারে, এমনটা ইঙ্গিত দিচ্ছে সাম্প্রতিক সময়ের বাজারে।

বাজারে আমন মৌসুমের চাল আসতে শুরু করেছে বেশ কিছুদিন ধরে। এমন সময়ে পুরনো বিভিন্ন ধরনের চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। নতুন মাঝারি চাল (বিআর-২৮, ২৯ ও পাইজাম) কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পুরনো চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। মানভেদে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮৬ টাকা পর্যন্ত, যা ৮-১০ দিন আগে ৪-৫ টাকা কম ছিল।

বাজারে প্রতি কেজি মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম ৩-৪ টাকা বেড়ে ৮৩-৮৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রশিদ মিনিকেটের দাম বেড়ে ৭৫ টাকা, নন-ব্র্যান্ডের মিনিকেট ৭০ টাকা এবং দামি মিনিকেট মোজাম্মেলের দাম কেজিতে ৮৫-৮৬ টাকা হয়েছে। একইভাবে নাজিরশাইল চালের দামও বেড়েছে। দেশি নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে; আগের ৮-১০ দিনে ছিল ৭০ থেকে ৮২ টাকা। আমদানি করা নাজিরশাইলের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা হয়েছে।

বিক্রেতারা জানান, নতুন মৌসুমে আউশ, আমন ও নাজিরশাইল চাল বাজারে আসছে, তবে সরবরাহ বাড়ার আগেই পুরনো চালের দাম বেড়েছে। ফলে ভোক্তাদের উদ্বেগ বাড়ছে। অনেকের ধারণা, আসন্ন রমজান মাসে চালের দাম আরও বাড়তে পারে।

চিনি ও ডালজাতীয় পণ্যের দামও ঊর্ধ্বমুখী। গত ১৫-২০ দিনে চিনির কেজিতে ৫-১০ টাকা, অ্যাংকর ডালের কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। কয়েক মাস ধরে চিনির বাজার স্থিতিশীল থাকলেও খোলা চিনির কেজি কমে ৯০ টাকায় নেমেছিল। সপ্তাহ দুয়েক আগে পাইকারি বাজারে দাম বেড়ে খুচরা পর্যায়ে ১০০ টাকায় পৌঁছেছে। প্যাকেট চিনির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। অ্যাংকর ডালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। ছোট দানার মসুর ডালের দাম ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা, মোটা দানার মসুর ডালের দাম কেজিতে ১০০ টাকা।

মুরগির বাজারও কয়েক মাস স্থিতিশীল থাকার পর ঊর্ধ্বমুখী। ব্রয়লার মুরগির কেজি দাম ১৬৫ থেকে ১৭৫ টাকায়, আর সোনালি জাতের মুরগি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারদর বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে রমজান মাসের আগে নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর