বিশেষ করে নাবিস্কোর স্টল ক্রেতাদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ। মেলায় নাবিস্কোর তিনটি বিশেষ প্যাকেজ অফারে বিক্রি হচ্ছে। ‘নাবিস্কোর রকমারি প্যাকেজ’ ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা ছাড়ে, ‘নাবিস্কোর টক ঝাল মিষ্টি প্যাকেজ’ ৩৫০ টাকায় ৩০ টাকা ছাড়ে এবং ‘নাবিস্কোর ইত্যাদি প্যাকেজ’ ৩০০ টাকায় একই ছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে।
নাবিস্কোর একজন ক্রেতা শফিকুল ইসলাম মীর বলেন, “নাবিস্কোর বিস্কুট আমার সবসময় প্রিয়, কিন্তু বর্তমানে কম পাওয়ায় মেলা থেকে বেশি কিনে নিচ্ছি।” আরেক ক্রেতা এম মোমেন বলেন, “বিস্কুট খেলে ছোটবেলার স্মৃতি ফিরে আসে, তাই মেলায় এসেছি, আর নাবিস্কোর বিস্কুট না কেনা হয় না।”
নাবিস্কোর বিক্রয় কর্মকর্তা তানজিলুর রহমান জানান, গতবারের মতো এবারও তিনটি প্যাকেজে বিশেষ ছাড়ে বিক্রি করা হচ্ছে এবং শুরু থেকেই ভালো সাড়া পাচ্ছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন এবার বিক্রি আগের তুলনায় আরও বাড়বে।
বাণিজ্যমেলায় মোট ৩২৭টি প্যাভিলিয়ন ও স্টল রয়েছে। দেশীয় পণ্যের পাশাপাশি ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, ইরান, সিঙ্গাপুর ও আফগানিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের পণ্য প্রদর্শিত হচ্ছে। মেলায় রয়েছে বস্ত্র, মেশিনারিজ, কার্পেট, কসমেটিকস, ইলেকট্রনিক্স, ফার্নিচার, হস্তশিল্পসহ নানা পণ্য।
মেলার ইজারাদার ডিজি লিমিটেডের ম্যানেজার আমিনুল ইসলাম হৃদয় বলেন, শৈত্যপ্রবাহের কারণে প্রথম সপ্তাহে জনসমাগম কম ছিলো, তবে কয়েকদিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে দর্শনার্থীর সংখ্যা বেড়েছে। সরকারি ছুটির দিনে বিশেষ ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।
মেলায় যাতায়াতের সুবিধার্থে কুড়িল-বিশ্বরোড, ফার্মগেইট, নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদী থেকে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে ২০০টির বেশি ডেডিকেটেড বাস চলাচল করছে। নদীপথে স্পীডবোটের ব্যবস্থাও রয়েছে।
আকাশজমিন / আরআর