ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ

ভুয়া শিক্ষাগত সনদে নিয়োগ

বন গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৪ কর্মচারী ও ৪ পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা


  • আপলোড সময় : সোমবার ১৯ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:০২ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

চট্টগ্রামের বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে ভুয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ ব্যবহার করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ ও দীর্ঘদিন সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে চার কর্মচারী এবং তাদের চাকরি স্থায়ী করার কাজে সহযোগী চার পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুদক চট্টগ্রাম কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাঈদ মোহাম্মদ ইমরান হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদক চট্টগ্রামের উপপরিচালক সুবেল আহমেদ ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযুক্ত কর্মচারীরা হলেন, ড্রাইভার মো. খালেদ মোশাররফ রিয়াজ, সুইপার স্বপন সরকার, দারোয়ান মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ ও দারোয়ান মো. আলমগীর হোসাইন। তারা সবাই ভুয়া বা জাল ৮ম শ্রেণি পাশের প্রত্যয়নপত্র ব্যবহার করে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ পেয়েছেন।

অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন, লক্ষ্মীপুর জেলার সাবেক এসআই মোহাম্মদ রফিক, চট্টগ্রাম জেলা বিশেষ শাখার সাবেক এএসআই মো. মনির হোসেন, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার সাবেক এসআই (নিরস্ত্র) মো. আব্দুল বাতেন এবং গাইবান্ধা জেলা বিশেষ শাখার সাবেক ডিআইও মো. আতিকুর রহমান। বর্তমানে তারা বিভিন্ন জেলায় কর্মরত রয়েছেন।

দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী আবেদনকালে তারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের নাম ব্যবহার করে জাল প্রত্যয়নপত্র দাখিল করেছেন। পরবর্তীতে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে জানায় যে, এসব প্রত্যয়নপত্র ভুয়া এবং তারা কখনো ওই বিদ্যালয় থেকে ৮ম শ্রেণি পাশ করেননি।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, চাকরিতে নিয়োগের পর পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে এসব কর্মচারীর চাকরি স্থায়ী করা হয়। তবে ভেরিফিকেশনকারী পুলিশ কর্মকর্তারা দায়িত্বে অবহেলা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া সনদগুলোকে বৈধ উল্লেখ করে প্রতিবেদন দিয়েছেন।

দুদক জানায়, ভুয়া শিক্ষাগত সনদের মাধ্যমে চাকরি লাভ করে ২০২৫ সালের ২৯ জুন পর্যন্ত মো. খালেদ মোশাররফ রিয়াজ ২৩ লাখ ৬২ হাজার ১৪৯ টাকা ৮০ পয়সা এবং অন্য তিন কর্মচারী প্রত্যেকে ২১ লাখ ৩০ হাজার ৯৫৮ টাকা সরকারি কোষাগার থেকে গ্রহণ করেছেন।

অভিযুক্ত কর্মচারী ও পুলিশ কর্মকর্তারা পরস্পর যোগসাজশে প্রতারণা, জাল দলিল ব্যবহার এবং সরকারি অর্থ আত্মসাতের মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারায় এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তকালে নতুন কোনো তথ্য বা অন্য কোনো ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে আইনানুগভাবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর