সাতক্ষীরায় সমাজ কল্যাণ ও মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ বলেছেন, “হ্যাঁ-না ভোট কোন সাধারণ রাজনৈতিক ভোট নয়। এটি দেশের ভবিষ্যতের রাষ্ট্রকাঠামো নির্ধারণের ভোট। এখানে একদিকে রাজনৈতিক সরকার পরিবর্তনের প্রশ্ন, অন্যদিকে আগামীর রাষ্ট্রকাঠামো কি হবে তা নির্ধারণের বিষয় গুরুত্বপূর্ণ।”
সোমবার বিকেলে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, “অন্তবর্তী সরকার একটি সঞ্চালকের ভূমিকা পালন করছে। সুন্দর একটি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সরকার গঠন এবং দেশের রাষ্ট্রকাঠামো তৈরির কাজ এগিয়ে চলছে।”
শারমিন এস মুরশিদ উল্লেখ করেন, বিগত ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে প্রথমে বিপ্লব এবং পরে গণঅভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। এতে ১৪শ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এবং ৩০ হাজার ছাত্র জনতার পঙ্গুত্বর পর বর্তমান সরকার রাষ্ট্রকাঠামো গঠনের দায়িত্ব নিয়েছে।
সভায় জেলা ব্যপি গণভোট সম্পর্কিত গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত প্রশাসনের প্রচার কার্যক্রমের নানা দিক তুলে ধরা হয়। সরকারি, আধা সরকারি, বেসরকারি, এনজিও, সাংবাদিক, সুশীল সমাজ এবং ছাত্র জনতার সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন এবং পরামর্শ প্রদান করেন।
সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমতুল্লাহ পলাশ, জেলা জামায়াতের আমির শহিদুল ইসলাম মুকুল, প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কাসেম, সাবেক সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রাসেল এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরাফাত হোসেন।
উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ আরও বলেন, “জনগণ এই ভোটকে দেশের ভবিষ্যত এবং রাষ্ট্রকাঠামোর গঠন সংক্রান্ত একটি দায়িত্বশীল ভোট হিসেবে দেখবে। আমাদের লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক গণভোট নিশ্চিত করা।”
সভায় আলোচিত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে জনগণের সচেতনতা বৃদ্ধি, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, প্রশাসনের ভূমিকা, এবং বিভিন্ন সামাজিক ও শিক্ষাগত কর্মকাণ্ডে জনসাধারণের অংশগ্রহণ।