ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একনেক সভায় আড়াই লাখ কোটি টাকার ৩টি মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি নামে নতুন বাহিনী যাত্রা শুরু একনেকে ১২ প্রকল্প অনুমোদন, ব্যয় ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা অপরাধের ধরন পাল্টালেও আধুনিকায়ন হয়নি পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ১৫০টি গ্যাসকূপ খনন ও ৩টি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে: মাহদী আমিন সিরাজগঞ্জে বেপরোয়া গরু চোরচক্র, আতঙ্কে কৃষক-খামারিরা আজ কমতে পারে তাপমাত্রা, স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আজ বিশেষ সংবাদ সম্মেলন রাশিয়ার হুমকিতে ফ্রান্সের পারমাণবিক ছাতায় ফিনল্যান্ড জাপানে শতবর্ষী প্রবীণের সংখ্যা ১ লাখ ৭ হাজার, ৮৮ শতাংশই নারী

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:১৪ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আদালত আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসংক্রান্ত আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ওই আদেশ বাস্তবায়ন করা হয়নি। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।

আদালতে উপস্থাপিত আবেদনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও আইনের আলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি। এতে বিচার বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ‘কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় তিনি প্রথমে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। পরে আদালত প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

কিন্তু আদালতের নির্দেশের পরও নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় অবশেষে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে নতুন করে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিষয়টি আমলে নিয়ে রুল জারি করেন।

আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের জন্য গুরুতর বিষয়। আদালতের আদেশ অমান্য হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রুলের জবাব দাখিলের মাধ্যমে কমিশনের অবস্থান আদালতে তুলে ধরা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই রুল জারির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন আইন সংশ্লিষ্টরা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর