ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসংগঠকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রী রুট নিয়ে অসন্তোষ সত্ত্বেও আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ নেতানিয়াহুর পতনে আরবদের সঙ্গে জোট গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ সাজেকে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: ফের ১২ ঘণ্টার নতুন অবরোধ ঘোষণা যুদ্ধের শেষ পরিণতি আমরাই ঠিক করব: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কঠোর বার্তা ৮৬ বছর পর লা লিগায় অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা ঘনীভূত হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি টিল অস্ত্রোপচার কাটিয়ে তিন দেশ সফরে পোপ লিও এক রুট এক কোম্পানি: ঢাকায় ৬ রুটে বাস চলাচল শুরু

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:১৪ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

আদালতের আদেশ অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আদালত আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে রুলের জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

শুনানি শেষে অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ জানান, গত বছরের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট একটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনসংক্রান্ত আবেদন প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ওই আদেশ বাস্তবায়ন করা হয়নি। আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা অমান্য করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার আবেদন করা হয়।

আদালতে উপস্থাপিত আবেদনে বলা হয়, নির্বাচন কমিশন সংবিধান ও আইনের আলোকে স্বাধীনভাবে কাজ করার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আদালতের নির্দেশ মানা হয়নি। এতে বিচার বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং আইনগত বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘিত হয়েছে।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, ‘কৃষক শ্রমিক জনতা পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছিলেন অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আবেদন নিষ্পত্তি না করায় তিনি প্রথমে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। পরে আদালত প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে আবেদন নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

কিন্তু আদালতের নির্দেশের পরও নির্বাচন কমিশন থেকে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় অবশেষে আদালত অবমাননার অভিযোগ এনে নতুন করে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিষয়টি আমলে নিয়ে রুল জারি করেন।

আইনজীবীরা বলছেন, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন না করা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশনের জন্য গুরুতর বিষয়। আদালতের আদেশ অমান্য হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রুলের জবাব দাখিলের মাধ্যমে কমিশনের অবস্থান আদালতে তুলে ধরা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই রুল জারির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব ও জবাবদিহিতা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন আইন সংশ্লিষ্টরা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর