ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসংগঠকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রী রুট নিয়ে অসন্তোষ সত্ত্বেও আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ নেতানিয়াহুর পতনে আরবদের সঙ্গে জোট গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ সাজেকে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: ফের ১২ ঘণ্টার নতুন অবরোধ ঘোষণা যুদ্ধের শেষ পরিণতি আমরাই ঠিক করব: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কঠোর বার্তা ৮৬ বছর পর লা লিগায় অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা ঘনীভূত হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি টিল অস্ত্রোপচার কাটিয়ে তিন দেশ সফরে পোপ লিও এক রুট এক কোম্পানি: ঢাকায় ৬ রুটে বাস চলাচল শুরু

চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার পরিবারের আত্মার সম্পর্ক : তারেক রহমান


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:১৭ পিএম

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান চট্টগ্রামের সঙ্গে তার পরিবারের গভীর আবেগ ও ঐতিহাসিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, “চট্টগ্রাম থেকেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন, আবার এই মাটিতেই তিনি শহীদ হয়েছেন। এই চট্টগ্রামেই খালেদা জিয়াকে ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছিল। তাই চট্টগ্রামের সঙ্গে আমার এবং আমার পরিবারের এক গভীর আবেগের সম্পর্ক রয়েছে।”

রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে চট্টগ্রাম নগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন সংসদীয় আসনের বিএনপি প্রার্থী, দলের নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষ। সমাবেশে হাজারো মানুষ উপস্থিত ছিলেন এবং মাঠ কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

তারেক রহমান আরও বলেন, “১৯৭১ সালে আমরা যে স্বাধীনতা অর্জন করেছিলাম, ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার আন্দোলন সেই স্বাধীনতাকে রক্ষা করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এখন এমন একটি অর্থবহ পরিবর্তন চায়, যার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিক উন্নত শিক্ষা ও সুচিকিৎসার সুনিশ্চিত সুযোগ পাবে।”

তিনি সমালোচনা করেন প্রতিদ্বন্দ্বি দলের কর্মকাণ্ড, উল্লেখ করে বলেন, “আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বি দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।”

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ এবং কৃষকের সুরক্ষা বিষয়ে তার বক্তব্যে তিনি বলেন, “উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।”

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, “বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। একারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খালকাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?”

তিনি চট্টগ্রামের ইপিজেড উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের বিষয়েও বলেন, “চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।”

সমাবেশে তার বক্তব্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের জীবনের মান উন্নয়নের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। সমাবেশের আয়োজন, নিরাপত্তা ও জনসাধারণের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

এভাবে সমাবেশে বিএনপি তাদের নির্বাচনি প্রচারণাকে ত্বরান্বিত করছে, স্থানীয় জনগণ ও নেতাকর্মীদের সমর্থন আকর্ষণ করছে। উপস্থিত নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ দলের মূল নীতিমালা ও পরিকল্পনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানার সুযোগ পেয়েছেন।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর