ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬,  ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় যুবসংগঠকদের ভূমিকা অনস্বীকার্য: প্রধানমন্ত্রী রুট নিয়ে অসন্তোষ সত্ত্বেও আজ চালু হচ্ছে কোম্পানিভিত্তিক বাস শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আজ নেতানিয়াহুর পতনে আরবদের সঙ্গে জোট গঠনের দাবিতে বিক্ষোভ সাজেকে পাল্টাপাল্টি কর্মসূচি: ফের ১২ ঘণ্টার নতুন অবরোধ ঘোষণা যুদ্ধের শেষ পরিণতি আমরাই ঠিক করব: যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের কঠোর বার্তা ৮৬ বছর পর লা লিগায় অবিশ্বাস্য ইতিহাস গড়ল বার্সেলোনা ঘনীভূত হচ্ছে বঙ্গোপসাগরের নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে সতর্কবার্তা জারি টিল অস্ত্রোপচার কাটিয়ে তিন দেশ সফরে পোপ লিও এক রুট এক কোম্পানি: ঢাকায় ৬ রুটে বাস চলাচল শুরু

মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন বিমানবাহী জাহাজ, প্রস্তুত ইরান


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৫৬ পিএম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মার্কিন বিমানবাহী রণতরী এবং যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে, যা ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলার আশঙ্কা অনেকটাই বাড়িয়েছে। তবে ইরান জানিয়েছে, তারা যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে প্রস্তুত।

মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং কয়েকটি গাইডেড-মিসাইল ডেস্ট্রয়ার এই অঞ্চলে পৌঁছেছে। জাহাজগুলো মার্কিন সেনাবাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে মোতায়েন করা হয়েছে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

গত সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তারা এই অঞ্চলে ‘পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে’ একটি বিশাল নৌবহর পাঠাচ্ছে। যদিও তিনি ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক হামলার হুমকি থেকে সাময়িকভাবে সরে গেছেন, তবে বিকল্প পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল করা হয়নি।

এ মাসের শুরু থেকে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকে যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা শুরু হয়। ইরানে বিক্ষোভের পর মার্কিন-ইরানি উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মার্কিন হুমকির মুখে ইরান জানিয়েছে, তারা নিজের সক্ষমতার ওপর আত্মবিশ্বাসী এবং যেকোনো আগ্রাসনের জবাব দিতে প্রস্তুত।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, “এই ধরনের যুদ্ধজাহাজের আগমন আমাদের জাতিকে বিভক্ত করতে পারবে না।” তিনি আরও জানিয়েছেন, ইরান কেবল প্রতিরক্ষামূলক নয় বরং অঞ্চলে স্থিতিশীলতার নোঙর হিসেবেও কাজ করে।

এদিকে, তেহরানের কেন্দ্রীয় এঙ্গেলাব স্কয়ারে একটি নতুন মার্কিনবিরোধী বিলবোর্ডে একটি আমেরিকান বিমানবাহী জাহাজ ধ্বংস হওয়ার দৃশ্য প্রদর্শিত হয়েছে। এই পদক্ষেপ ইরানের জাতীয় সংহতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রদর্শনের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গত বছর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ১২ দিনের ছোট যুদ্ধের সময় ইসরায়েলকে সমর্থন করেছিল। যদিও দেশব্যাপী বিক্ষোভ বন্ধ হয়ে গেছে, মার্কিন হস্তক্ষেপের হুমকি ইরানকে সতর্ক করেছে।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, লিংকনের স্ট্রাইক গ্রুপ মোতায়েন করা হয়েছে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য। পাশাপাশি, মার্কিন সামরিক বাহিনী এই অঞ্চলে মহড়া চালাবে যা তাদের শক্তিমত্তা প্রদর্শন করবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন-ইরানি উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে নৌবাহিনী মোতায়েন শুধুমাত্র যুদ্ধ প্রস্তুতির নয়, রাজনৈতিক চাপ এবং কূটনৈতিক সংকেত প্রদানেরও অংশ।

আকাশজমিন / আরআর


এ সম্পর্কিত আরো খবর