নড়াইল প্রতিনিধিঃ
সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো: আহসানুর রহমান। সিভিল সার্জন ডা: মো: আব্দুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, নড়াইল জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক গোলক মজুমদার।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন অফিসের ডাক্তার ইসমাইল হোসেন বাপ্পী, নড়াইল হোমিওপ্যাথিক পেশাজীবী চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা: সুলতান মাহমুদ, সহকারী অধ্যাপক ডা: মফিজুর রহমান, ডা: দুলাল রাহা, লোহাগড়া উপজেলা হোমিওপ্যাথিক ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা: মো: হায়াতদুর রহমান উজ্জল, সাধারণ সম্পাদক ডা: শেখ রাজিবুল আলম এবং সহ-সভাপতি ডা: তছিবুল আলম।
বক্তারা বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা একটি স্বীকৃত বিকল্প চিকিৎসা পদ্ধতি। এই চিকিৎসা পদ্ধতির মূলনীতি ও দর্শনের প্রতি অনুগত থেকে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করা প্রত্যেক চিকিৎসকের দায়িত্ব। পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দেশের বিদ্যমান আইন ও বিধিমালা সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।
তারা আরও বলেন, হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় প্রযোজ্য আইনসমূহ সঠিকভাবে বাস্তবায়ন না হলে পেশাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার নামে কেউ যাতে রেক্টিফাইড স্পিরিট বা অন্যান্য নিয়ন্ত্রিত উপাদানের অপব্যবহার না করেন, সে বিষয়ে সকল চিকিৎসককে সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে।
বক্তারা জানান, আইন মেনে ও নৈতিকতার সঙ্গে চিকিৎসা কার্যক্রম পরিচালনা করলে একদিকে যেমন রোগীরা সঠিক সেবা পাবেন, অন্যদিকে তেমনি চিকিৎসকরাও আইনগত ঝুঁকি থেকে নিরাপদ থাকবেন। এ ধরনের সচেতনতামূলক সেমিনার হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের মধ্যে পেশাগত জ্ঞান ও দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা মত প্রকাশ করেন।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারী চিকিৎসকরা বলেন, আইনগত বিষয়গুলো অনেক সময় পরিষ্কারভাবে জানা না থাকায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়। এ ধরনের সেমিনার নিয়মিত আয়োজন করা হলে চিকিৎসা কার্যক্রম আরও স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল হবে।
সেমিনারে নড়াইল জেলায় কর্মরত প্রায় ৫০ জন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। অংশগ্রহণকারীরা সেমিনারটিকে সময়োপযোগী ও অত্যন্ত ফলপ্রসূ বলে অভিহিত করেন।
আকাশজমিন / আরআর