ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

নড়াইলে স্ত্রীকে সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রাখার অভিযোগে স্বামী আটক


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৮:০৯ পিএম

নড়াইল প্রতিনিধিঃ

নড়াইলের কালিয়া উপজেলায় নিখোঁজের এক মাস আট দিন পর সেপটিক ট্যাংক থেকে আলপনা (৩৫) নামে এক গৃহবধূর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তার স্বামী আল-আমীন মন্ডল ওরফে ইরানুরকে আটক করেছে কালিয়া থানা পুলিশ।

কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলপনার স্বামী আল-আমীন মন্ডলের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের দ্বিতীয় দিন ২০ ডিসেম্বর আলপনার ভাই মো. সাকিব মোল্যা (১৯) কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

তদন্তে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ আলপনার নিখোঁজের পেছনে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পান এবং গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বামী আল-আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে আল-আমীন স্বীকার করেন, তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছেন।

কালিয়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার বলেন, নিখোঁজের জিডি হওয়া পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি পাওয়া যায় এবং সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

অপরাধের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর