নড়াইল প্রতিনিধিঃ
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইদ্রিস আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার শুক্তগ্রামের বাবরা-হাচলা ইউনিয়ন কমিউনিটি ক্লিনিক সংলগ্ন সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আলপনার স্বামী আল-আমীন মন্ডলের স্ত্রী সুমি ওরফে আলপনা ১৯ ডিসেম্বর রাত আনুমানিক ১০টার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে নিখোঁজ হন। নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও কোনো সন্ধান পাননি। নিখোঁজের দ্বিতীয় দিন ২০ ডিসেম্বর আলপনার ভাই মো. সাকিব মোল্যা (১৯) কালিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
তদন্তে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ আলপনার নিখোঁজের পেছনে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ পান এবং গত মঙ্গলবার বিকেলে স্বামী আল-আমীনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেয়। জিজ্ঞাসাবাদে আল-আমীন স্বীকার করেন, তিনি তার স্ত্রীকে হত্যা করে মরদেহ গুমের উদ্দেশ্যে বাড়ির পাশে কমিউনিটি ক্লিনিকের সেপটিক ট্যাংকে লুকিয়ে রেখেছেন।
কালিয়া সার্কেল সহকারী পুলিশ সুপার রবিন হালদার বলেন, নিখোঁজের জিডি হওয়া পর পুলিশ ছায়া তদন্ত শুরু করে। পরে স্বামীকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে তার স্বীকারোক্তি পাওয়া যায় এবং সেপটিক ট্যাংক থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
অপরাধের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।