ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

একুশে পদকপ্রাপ্তির সংবাদ জেনে যা বললেন ববিতা


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৮:৪৯ পিএম

চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ একুশে পদক পাচ্ছেন কিংবদন্তী অভিনেত্রী ববিতা। তবে নিজে জানান, সরকার থেকে আনুষ্ঠানিক চিঠি এখনও পাননি।

ববিতা বলেন, “এটা শুনে ভালো লাগলো। তবে একুশে পদকপ্রাপ্তির খবর এখনো আমার হাতে আসেনি, প্রজ্ঞাপনও চোখে পড়েনি। অফিসিয়াল চিঠি পেয়ে নিই, তারপর একুশে পদক পেয়ে কেমন লাগছে-সেটা জানানো সমীচীন মনে করছি।”

এ বছর একুশে পদক আরও যারা পাচ্ছেন তারা হলেন, চারুকলায়: ড. মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু, ব্যান্ড মিউজিকে ওয়েরফেইজ, নাট্যকলায় পালাকার ইসলাম উদ্দিন, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, ভাস্কর্যে তেজস হালদার, নৃত্যকলায় অথৈ আহমেদ।

দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক শেষে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

‘অশনি সংকেত’ সিনেমার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র অঙ্গনে প্রশংসা পেয়েছিলেন ববিতা। তারপর থেকে তার প্রাপ্তির কোনো সীমা নেই। অভিনয় করেছেন সাড়ে তিন শতাধিক সিনেমায়। ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তনের পর তিনবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন। ১৯৮৫ সালে আবার শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী, ১৯৯৬ সালে শ্রেষ্ঠ প্রযোজক, ২০০২ ও ২০১১ সালে পার্শ্ব চরিত্রে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার পেয়েছেন ববিতা। ২০১৬ সালে তাকে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা জানানো হয়।

নন্দিত চলচ্চিত্র নির্মাতা জহির রায়হানের ‘সংসার’ সিনেমায় শিশুশিল্পী হিসেবে ববিতার অভিষেক হয় ১৯৬৮ সালে। তখন তার নাম ছিল ফরিদা আক্তার পপি। পরে আব্দুল্লাহ আল মামুনের টেলিভিশন নাটক ‘কলম’-এ অভিনয় করেন তিনি। জহির রায়হানের ‘জ্বলতে সুরুজ কি নিচে’ ছবিতে অভিনয়ের সময় তাকে নাম দেওয়া হয় ‘ববিতা’।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অসমাপ্ত উপন্যাস ‘অশনি সংকেত’। সেটিকে অবলম্বন করে ছবি বানান উপমহাদেশের খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায়। ববিতার চলচ্চিত্রজীবনের উল্লেখযোগ্য সিনেমা এটি। পরে তিনি অভিনয় করেন ‘টাকা আনা পাই’, ‘স্বরলিপি’, ‘বাঁদী থেকে বেগম’, ‘লাঠিয়াল’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘নয়নমনি’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘গোলাপী এখন ঢাকায়’, ‘কি যে করি’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘অনন্ত প্রেম’, ‘বসুন্ধরা’, ‘পোকামাকড়ের ঘর বসতি’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘মায়ের অধিকার’, ‘জীবন সংসার’, ‘দীপু নাম্বার টু’, ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’, ‘এখনো অনেক রাত’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘হাছন রাজা’, ‘চার সতীনের ঘর’ সিনেমাগুলোয়।

বর্তমানে কানাডায় থাকেন অভিনেত্রী ববিতা। মাঝে মাঝে বাংলাদেশে বেড়াতে আসেন। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ববিতার ছেলে অনিক বেশ কয়েক বছর ধরে কানাডা-প্রবাসী। পড়াশোনা শেষ করে সেখানে চাকরি করছেন তিনি। ছেলে চান মা তার কাছাকাছি থাকুক। তাই বছরের একটা নির্দিষ্ট সময় কানাডায় থাকেন অভিনেত্রী ববিতা।



এ সম্পর্কিত আরো খবর