১৩তম জাতীয় নির্বাচনে ভোটার সংখ্যার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে গাজীপুর-২ আসন। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন। বিপুল সংখ্যক ভোটার থাকার কারণে গাজীপুর-২ আসনটি এবারের নির্বাচনে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।
গাজীপুর-২ আসনে পুরুষ ও নারী উভয় ভোটারের উপস্থিতিই উল্লেখযোগ্য। জনসংখ্যা ও নগরায়নের বিস্তারের কারণে এ আসনে ভোটার সংখ্যা তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশ্লেষকদের মতে, এত বড় ভোটারসংখ্যা নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা পরিকল্পনায় বাড়তি গুরুত্ব দাবি করে। ভোটগ্রহণ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সবচেয়ে কম ভোটার রয়েছে ঝালকাঠি-১ আসনে। এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন। তুলনামূলকভাবে ছোট এই আসনে ভোটারসংখ্যা কম হওয়ায় নির্বাচনী ব্যবস্থাপনা কিছুটা সহজ হলেও ভোটের গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়। প্রতিটি ভোটই এখানে প্রার্থীদের জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ।
দেশব্যাপী ১৩তম জাতীয় নির্বাচন ঘিরে ভোটার উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। বড় ও ছোট—সব আসনেই ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তবে গাজীপুর-২ আসনের বিপুল ভোটারসংখ্যা এবং ঝালকাঠি-১ আসনের তুলনামূলক কম ভোটারসংখ্যা এবারের নির্বাচনে একটি পরিসংখ্যানগত বৈচিত্র্য তুলে ধরেছে।
নির্বাচনী বিশেষজ্ঞদের মতে, বড় আসনগুলোতে ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করা, দীর্ঘ লাইন ও ভিড় সামাল দেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে ছোট আসনে ভোটারদের সঙ্গে প্রার্থীদের সরাসরি যোগাযোগের সুযোগ তুলনামূলক বেশি থাকে।
১৩তম জাতীয় নির্বাচনে দেশের প্রতিটি আসনেই ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা হচ্ছে। ভোটারসংখ্যা বেশি বা কম—উভয় ক্ষেত্রেই সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের প্রধান লক্ষ্য। গাজীপুর-২ ও ঝালকাঠি-1 আসনের এই পরিসংখ্যান এবারের নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে বিশেষভাবে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।