ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ: দুদক ‘বারবার মিথ্যা মামলা না দিয়ে আমাকে একবারে গুলি করে মেরে ফেলেন’ ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী মার্কিন কোম্পানি শেভরন পাবনায় ডিবির ওসির প্রত্যাহারে সাংবাদিকদের ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামানত হারিয়েছেন ১০ প্রার্থী


  • আপলোড সময় : শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ১১:০৮ এএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা ১৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১০ জন তাদের জামানত হারিয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট ভোটের আট ভাগের এক ভাগের কম ভোট পেলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। সেই বিধান অনুযায়ী এসব প্রার্থীর জামানত হারানোর বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনে জাতীয় পার্টির মোহা. আফজাল হোসেন ২ হাজার ২৬৩ ভোট, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আব্দুল হালিম ৫৫৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মনিরুল ইসলাম ১ হাজার ৮৩ ভোট এবং ইসলামী ফ্রন্টের নবাব মো. শামসুল হোদা ৪৪৬ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসনে বাংলাদেশ কমিউনিষ্ট পার্টির মো. সাদেকুল ইসলাম ৬২৬ ভোট, জাতীয় পার্টির মু. খুরশিদ আলম ৮ হাজার ১৭৫ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ইব্রাহিম খলিল ১ হাজার ৬৯ ভোট পেয়ে নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করতে পারেননি।

এছাড়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি’র ফজলুর ইসলাম খাঁন সুমন ৬৩৭ ভোট, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. মনিরুল ইসলাম ৮২০ ভোট এবং গণঅধিকার পরিষদের মো. শফিকুল ইসলাম ৩৬১ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনটি আসনেই ভোটার উপস্থিতি সন্তোষজনক ছিল। তবে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় এগিয়ে থাকা প্রার্থীদের তুলনায় এসব প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট উল্লেখযোগ্যভাবে কম হওয়ায় তারা জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে না পারা এবং সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণে অনেক প্রার্থী কাঙ্ক্ষিত ভোট পাননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জেলার তিনটি আসনে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেলেও শেষ পর্যন্ত ১০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ায় স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর