জামানত হারানো প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন: বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী (ছড়ি প্রতীক) – ১২৪ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আবুল কাশেম (হাঁস প্রতীক) – ৩৩৩ ভোট, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী সামিরা আজিম দোলা (ফুটবল প্রতীক) – ৩৬৪ ভোট, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. গোলাম মোস্তফা কামাল (লাঙ্গল প্রতীক) – ১,১৯৯ ভোট, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশের প্রার্থী মো. আবু বাকার সিদ্দিক (চেয়ার প্রতীক) – ৩,৮৯৫ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সেলিম মাহমুদ (হাতপাখা প্রতীক) – ৭,৪৫৯ ভোট।
এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭৮ হাজার ৫৩৫ জন। লাকসাম উপজেলায় পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৪৭ হাজার ৭৬৫ জন ও নারী ভোটার ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৬৯ জন, এছাড়াও একজন তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন। আসনটির দুটি উপজেলায় মোট ১৩৪টি ভোটকেন্দ্রে ৯৬৪টি ভোটকক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে ৩ লাখ ৩ হাজার ২০৮ জন ভোট দিয়েছেন, ভোট বাতিল হয়েছে ৮,৫০৫টি। বৈধ ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯৪ হাজার ৯১৬। লাকসামে ভোটের হার ৬৬.৬২ শতাংশ এবং মনোহরগঞ্জে ৬২.৯৮ শতাংশ।
প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ হিসেবে এই আসনে প্রার্থীদের অন্তত ২৯,৭৪৯ ভোট প্রাপ্তি প্রয়োজন ছিল। তবে ছয়জন প্রার্থী এই সংখ্যায় পৌঁছাতে পারেননি। নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির মনোনীত (ধানের শীষ প্রতীক) প্রার্থী আবুল কালাম। তিনি ১ লাখ ৬৮ হাজার ১০৮ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ড. এ কে এম সরওয়ার উদ্দিন সিদ্দিকী (দাঁড়িপাল্লা প্রতীক)কে ৫৪,৬৫৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত করেছেন।
লাকসাম ও মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের নিয়ম অনুসারে যে কোনো প্রার্থীকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর প্রদত্ত বৈধ ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হবে। তা না হলে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। এ নিয়ম সকল প্রার্থীর জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য।
নির্বাচন প্রক্রিয়া অনুযায়ী জয়ী প্রার্থী সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন। এতে স্থানীয় জনগণ ও ভোটারদের অংশগ্রহণ নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে। এভাবেই কুমিল্লা-৯ আসনের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং ফলাফলের সঙ্গে প্রার্থীদের জামানত হারানোর বিষয়ও চূড়ান্ত হয়েছে।