ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

এ বিজয় গণতন্ত্রের ও বাংলাদেশের : তারেক রহমান


  • আপলোড সময় : শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৪:৩৪ পিএম

বিএনপিকে নির্বাচনে বিজয়ী করায় দেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, “এ বিজয় গণতন্ত্রের, এ বিজয় বাংলাদেশের, এ বিজয় দেশের গণতন্ত্রকামী মানুষের। আজ থেকে আমরা স্বাধীন।”

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, দেশের সব জনগণকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান। সব ধরনের প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলা করে দেশের গণতন্ত্রের পথ সুগম করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি, অকার্যকর সাংবিধানিক ও বিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান এবং দুর্বল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই নতুন যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছে দেশ।

তিনি আরও বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে পুনরায় জনগণের সরাসরি ভোটে জবাবদিহিমূলক সংসদ ও সরকার প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এটি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভবিষ্যতে কোনো অপশক্তি যাতে দেশে ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যই দেশের প্রধান শক্তি, আর বিভাজনই সবচেয়ে বড় দুর্বলতা।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ভূমিকাও উল্লেখ করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, জামায়াত ইসলাম, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদসহ ৫১টি রাজনৈতিক দল এই নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে তিনি আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

তারেক রহমানের ভাষায়, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও রাজনীতিতে রাজনৈতিক দলগুলোই গণতন্ত্রের বাতিঘর। সরকার ও বিরোধীদল যে যার অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করলে দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পাবে বলে তিনি দৃঢ় বিশ্বাস ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, দেশ গঠনে প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের চিন্তা-ভাবনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পথ ও মত ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু দেশের স্বার্থে সবাই এক— এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঐক্য, জবাবদিহি ও গণতান্ত্রিক চর্চা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তার মতে, দীর্ঘ সময় পর জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে গঠিত সংসদ ও সরকার দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

সবশেষে তারেক রহমান দেশবাসীর প্রতি আবারও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং গণতন্ত্র সুসংহত করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।


এ সম্পর্কিত আরো খবর