ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,  ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান


সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী মনোনীত হলেন তারেক রহমান

  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৪৮ পিএম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বিএনপির নব-নির্বাচিত সদস্যদের শপথ শেষে সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান। সেখানেই সর্বসম্মতিক্রমে তাকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা পৌনে ১১টার দিকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের শপথকক্ষে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথগ্রহণ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিন সংসদ সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠানে দেশি ও বিদেশি অতিথিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে নতুন আইনপ্রণেতাদের সামনে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি সংবিধান সংস্কার পরিষদের বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্ত জানান।

শপথ গ্রহণের পর সংসদ সদস্যরা শপথপত্রে সই করেন। এরপর সংসদীয় দলের বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যরা অংশ নেন।

সভায় দলের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েও আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। পাশাপাশি সংসদের কার্যক্রম পরিচালনা ও আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় দলীয় অবস্থান কী হবে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।

সূত্র জানায়, সংসদীয় দলের বৈঠকে উপস্থিত সদস্যরা একযোগে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আস্থা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, নির্বাচনের রায় বাস্তবায়ন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

সূচি অনুযায়ী, বিকেল ৪টায় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান এবং নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেবেন।

এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

শপথ অনুষ্ঠানের পর আজ সন্ধ্যায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে নতুন মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন এবং আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

দলীয় সূত্র বলছে, নতুন মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও নতুন মুখ—দুই ধরনের নেতৃত্বই থাকতে পারে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়গুলোতে কারা দায়িত্ব পাচ্ছেন, সে বিষয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আগ্রহ দেখা দিয়েছে।

নির্বাচনের পর সরকার গঠনের এই প্রক্রিয়াকে ঘিরে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নতুন মোড় নিতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর