ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ


ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খানের পদত্যাগ

  • আপলোড সময় : রবিবার ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৫:১৯ পিএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) তিনি শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন।

উপাচার্যের প্রটোকল অফিসার মোহাম্মদ ফিরোজ ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপাচার্য সকালে মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। তবে শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি। পদত্যাগপত্র গৃহীত হলে পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

এর আগে, গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে ড. নিয়াজ আহমদ খান দায়িত্ব ছাড়ার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আপৎকালীন পরিস্থিতি কেটে গেছে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে সার্বিকভাবে একটি ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। দায়িত্ব পালনের এই পর্যায়ে এসে আমি সরে দাঁড়াতে চাই।”

উপাচার্য আরও বলেন, দায়িত্ব হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যেন কোনো শূন্যতা সৃষ্টি না হয় এবং প্রশাসনিক ধারাবাহিকতায় কোনো ব্যাঘাত না ঘটে, সে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন, “সরকার বা অংশীজনরা যদি মনে করেন ধারাবাহিকতা রক্ষায় কিছু সময় প্রয়োজন, তা আমি বিবেচনায় নিতে প্রস্তুত আছি।”

সংবাদ সম্মেলনে ড. নিয়াজ আহমদ খান বলেন, রাজনৈতিক সরকার যাতে নিজেদের মতো করে প্রশাসন পুনর্গঠন করতে পারে, সে সুযোগ করে দিতে তিনি পদত্যাগ করছেন। পাশাপাশি প্রয়োজনে সরকারের প্রতি সহযোগিতার আশ্বাস দেন তিনি। তিনি আরও অনুরোধ করেন, দ্রুত ডেপুটেশন শেষ করে নিজ বিভাগের শিক্ষকতায় ফিরে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করা হোক।

উপাচার্য পদে দায়িত্বকালের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও প্রশাসনিক কর্মীদের সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি গর্বিত। তাঁর নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রমে কিছু উন্নতি লক্ষ্য করা গেছে এবং শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও গবেষণার মান বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, “উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব শেষ করার সময় এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে, প্রশাসনিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতি মসৃণভাবে পরিচালনার জন্য পদত্যাগ করাই উপযুক্ত মনে হচ্ছে।”

উপাচার্যের পদত্যাগ সংবাদটি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয় থেকে পদত্যাগ গ্রহণ করলে পরবর্তী প্রক্রিয়ায় নতুন উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ড. নিয়াজ আহমদ খান বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন শিক্ষকতার পাশাপাশি প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেছেন। তার পদত্যাগ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে নতুন পরিবর্তনের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর