ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নড়াইলে আধিপত্য নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, বাবা-ছেলেসহ নিহত ৫


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৭:৫৬ পিএম

নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপ এবং খলিল গ্রুপের সংঘর্ষে বাবা-ছেলেসহ উভয় পক্ষের ৫ জন নিহত হয়েছেন। এতে অন্তত ৬ থেকে ৭ জন গুরুতর আহত হয়েছেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপজেলার বড়কুলা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নড়াইলের পুলিশ সুপার আম মামুন শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন— উপজেলার বড়কুলা গ্রামের খলিল গ্রুপের খলিল রহমান, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন, একই গ্রুপের ফেরদৌস হোসেন ও তার ছেলে মুন্না শেখ এবং সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়া।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার সিংগোশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের ও খলিলের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এলাকায় আধিপত্য ও প্রভাব বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে একাধিকবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এর জের ধরে সোমবার ভোরে বড়কুলা এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয় এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে ঘটনাস্থলেই খলিল গ্রুপের রহমান খলিল, তার ছেলে তাহাজ্জুদ হোসেন ও একই পক্ষের ফেরদৌস হোসেন মারা যান। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় অপর পক্ষের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের গ্রুপের ওসিবুর মিয়াকে উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলা বিরোধ নিরসনে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় এমন প্রাণঘাতী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নড়াইল সদর থানা পুলিশের ওসি ওলি মিয়া বলেন, এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে।

 আকাশজমিন / আরআর  


এ সম্পর্কিত আরো খবর