ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ভালুকায় সীমানা প্রাচীর তুলে কারখানার জমি দখলের চেষ্টা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ২:৩৫ পিএম

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ভালুকায় সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে কে এন্ড কে টপস্ টেক্সটাইলস্ লিমিটেড নামের একটি কারখানার জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় কারখানার কর্মচারী এম. মনিরুজ্জামান বাদী হয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও ভালুকা মডেল থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কে এন্ড কে টপস টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল উপজেলার কাঠাঁলী মৌজার সিএস ২৬৮ দাগের ৯১ শতাংশ জমি ক্রয় করে প্রায় ৪৫ বছর ধরে ভোগদখলে আছেন। নিয়মিত ভূমি উন্নয়নকর পরিশোধসহ জমির যাবতীয় কাগজপত্র তাদের দখলে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, কামরুল ঢালী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি কিছুদিন ধরে ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন এবং জমি দখলের চেষ্টা চালান। বিষয়টি জানাজানি হলে কারখানা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও ভালুকা মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করে।

অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজে বাধা দেয় এবং কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। বর্তমানে ওই জমিতে কোনো ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।

কারখানার কর্মচারী এম. মনিরুজ্জামান জানান, কে এন্ড কে টপস টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে বৈধভাবে জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন। নিয়মিত কর পরিশোধ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও কামরুল ঢালী গায়ের জোরে জমি দখলের চেষ্টা করছেন। এতে কারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অন্যদিকে অভিযুক্ত কামরুল ঢালী দাবি করেন, “আমি অন্য কারও জমিতে নয়, আমার নিজস্ব জমিতে কাজ করছি। তাদের জমি আলাদা করে বাউন্ডারি দেওয়া আছে।” তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।

এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর