অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কে এন্ড কে টপস টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল উপজেলার কাঠাঁলী মৌজার সিএস ২৬৮ দাগের ৯১ শতাংশ জমি ক্রয় করে প্রায় ৪৫ বছর ধরে ভোগদখলে আছেন। নিয়মিত ভূমি উন্নয়নকর পরিশোধসহ জমির যাবতীয় কাগজপত্র তাদের দখলে রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
কারখানা কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, কামরুল ঢালী নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি কিছুদিন ধরে ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) তিনি লোকজন নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ শুরু করেন এবং জমি দখলের চেষ্টা চালান। বিষয়টি জানাজানি হলে কারখানা কর্তৃপক্ষ স্থানীয় প্রশাসন ও ভালুকা মডেল থানা পুলিশকে অবহিত করে।
অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্মাণকাজে বাধা দেয় এবং কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। বর্তমানে ওই জমিতে কোনো ধরনের নির্মাণকাজ বন্ধ রয়েছে বলে জানা গেছে।
কারখানার কর্মচারী এম. মনিরুজ্জামান জানান, কে এন্ড কে টপস টেক্সটাইলস লিমিটেডের ডাইরেক্টর খালেদ জামিল আহমেদ আদেল দীর্ঘ ৪৫ বছর ধরে বৈধভাবে জমিটি ভোগদখলে রেখেছেন। নিয়মিত কর পরিশোধ ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র থাকার পরও কামরুল ঢালী গায়ের জোরে জমি দখলের চেষ্টা করছেন। এতে কারখানার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত কামরুল ঢালী দাবি করেন, “আমি অন্য কারও জমিতে নয়, আমার নিজস্ব জমিতে কাজ করছি। তাদের জমি আলাদা করে বাউন্ডারি দেওয়া আছে।” তিনি অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ রাখা হয়েছে এবং উভয় পক্ষের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
আকাশজমিন / আরআর