এই বাগানে রয়েছে বিটরুট, গাজর, বালিয়া শাক, ডাটা শাক, বাধাকপি, থানকুনি শাক, ধুনিয়া শাক, টমেটো, চুই ঝাল, ওলকপি, বেগুন, পেপে, পুদিনা, লাউ, মিষ্টি কুমড়া, লালশাক, পালনশাক, কাটানোটে শাক, পোড়ানোটে শাক, মূলা, রেড ক্যাবেজ, ফুলকপি, সিম, মানকচু, লতিকচু, দস্তারিকচু, ডাঙ্গাইড়কচু, ঘটকচু, পুইশাক, শশা, মরিচ ও ক্যাপসিকাম। পাশাপাশি রয়েছে মালবেরি, রামবুটান, গোলাপজাম, কলা, পেয়ারা, রয়েলফল, আম, আপেলকুল, ঝারালেবু ও বাতাবি লেবুর মতো বিভিন্ন ফল গাছ। বাগানে দারুচিনি, তেজপাতা ও এলাচের মতো মসলার গাছও রয়েছে।
উদ্যোক্তা মো. পল্লব বলেন, পরিবারের পুষ্টি নিশ্চিত করতে এবং সুস্থ জীবনযাপন বজায় রাখতে তিনি নিজ উদ্যোগে ২০০১ সাল থেকে এই বিষমুক্ত বাগান গড়ে তুলেছেন। প্রতিদিন প্রয়োজন অনুযায়ী বাগান থেকে সবজি ও ফল সংগ্রহ করে পরিবারের খাবার প্রস্তুত করেন। অতিরিক্ত উৎপাদিত শাক-সবজি তিনি আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুদের উপহার হিসেবে দিয়ে থাকেন। তিনি জানান, গত ২৬ বছর ধরে তিনি বাজার থেকে কোনো শাক-সবজি কিনছেন না।
তিনি আরও বলেন, যাদের বাড়ির আঙিনায় বা ছাদে সামান্য জায়গা রয়েছে, তারা চাইলে ছোট পরিসরে হলেও বিষমুক্ত সবজি বাগান গড়ে তুলতে পারেন। এতে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে এবং অর্থ সাশ্রয় হবে।
এ বিষয়ে নড়াইল সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রোকনুজ্জামান বলেন, এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বাড়ির আঙিনার ছোট জায়গাকে কাজে লাগিয়ে পারিবারিক পুষ্টি বাগান গড়ে তুললে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করা সম্ভব। এমন বাগানে উৎপাদিত শাক-সবজি ও ফল বিষমুক্ত হওয়ায় তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, স্থানীয়ভাবে পুষ্টি উৎপাদনের এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতি ও খাদ্য নিরাপত্তায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আকাশজমিন / আরআর