স্টাফ রিপোর্টার:
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি একটি আনুষ্ঠানিক প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন। আব্দুস সাত্তার স্বাক্ষরিত ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেশের জনসাধারণ ও সকল মিডিয়াকে অবহিত করে বলা হয়, “আমি এবিএম সাত্তার, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, আমার ব্যক্তিগত ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি এবং উক্ত অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাক্টিভেড করা হয়েছে।”
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে তার নামে বা পদবী ব্যবহার করে কেউ যদি কোনো জাল বা ভুয়া সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে বা পরিচালনা করে, তার সঙ্গে তার কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা থাকবে না। এ ধরনের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য, অসংগতিপূর্ণ বক্তব্য বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তার দায় তিনি বহন করবেন না বলেও স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের নাম ও পদবী ব্যবহার করে পরিচালিত যেকোনো অননুমোদিত বা সন্দেহজনক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রকাশিত তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া গ্রহণ না করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
এছাড়া এ ধরনের জাল অ্যাকাউন্ট শনাক্ত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ—এ বিষয়টি স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বের নামে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে অপপ্রচার বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সরকারি বা ব্যক্তিগত কোনো বার্তা প্রচারের ক্ষেত্রে অনুমোদিত ও নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সচেতনতা এবং তথ্য যাচাইয়ের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আব্দুস সাত্তার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তার ব্যক্তিগত কোনো ফেসবুক বা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট বর্তমানে সক্রিয় নেই। তাই এ ধরনের কোনো অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত বক্তব্য, ছবি বা তথ্যকে তার আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে বিবেচনা না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় জালিয়াতি রোধ এবং বিভ্রান্তি প্রতিরোধে এ ধরনের ঘোষণা জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
আকাশজমিন / আরআর