ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬,  ১৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বনানীতে শহীদ সেনাদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ সময় : ৩:৪৯ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

পিলখানায় ২০০৯ সালের বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ হওয়া সেনাসদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর বনানীস্থ সামরিক কবরস্থানে এই শ্রদ্ধা জানানো হয়। পিলখানায় সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা এবং ৭৪ জন শহীদ হন। এই ঘটনা বাংলাদেশে সেনা বাহিনীর ইতিহাসে একটি দুঃখজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বনানীতে শহীদদের কবরের সামনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এই দিনে তারা শহীদদের আত্মত্যাগের স্মৃতিকে সম্মান জানিয়ে তাদের পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, “শহীদ সেনাদের আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা আমাদের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে পেরেছি। তাদের স্মৃতিকে আমরা চিরস্মরণীয় রাখব।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “২৫ ফেব্রুয়ারি, জাতীয় শহীদ সেনা দিবস, আমাদের সকলের জন্য প্রতিজ্ঞার দিন। যারা দেশ এবং জনগণের জন্য প্রাণ দিয়েছেন, তাদের স্মৃতিকে আমরা চিরকাল সম্মান জানাব।” তিনি আরও বলেন, “পিলখানায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে যে ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীকে সব ধরনের ষড়যন্ত্র থেকে রক্ষা করতে পারব।”

২০০৯ সালের এই ঘটনায় দেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছিল। হত্যাযজ্ঞের পর নানা মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী এই পরিস্থিতিতে জনগণের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখার গুরুত্বে জোর দেন। তারা জানান, সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের গৌরব, সম্মান ও বীরত্বের প্রতীক। ভবিষ্যতে কেউ যাতে সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করতে না পারে, তার জন্য এই দিনটি একটি স্মরণীয় প্রতীক হিসেবে থাকছে।

বনানী সামরিক কবরস্থানে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পুষ্পস্তবক অর্পণ, শহীদদের প্রতি নীরব শ্রদ্ধা এবং পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রদর্শন, দেশের সকল নাগরিকের জন্য একটি শিক্ষণীয় উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর এই দিনে দেশের বিভিন্ন শহরে ও সামরিক প্রতিষ্ঠানে শহীদ সেনাদের স্মরণে নানা অনুষ্ঠান ও শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শহীদ সেনাদের আত্মত্যাগ দেশের ইতিহাসে অম্লান হয়ে থাকবে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যত প্রজন্ম এই আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে আরও সুসংহত ও শক্তিশালী রাখবে। শহীদ সেনাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জানানো এই দিনের মূল প্রতিপাদ্য।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর