ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯০ দিন বাড়ল ডাকসুর সময়সীমা, তফসিল ঘোষণাতেই বাতিল হবে কমিটি হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১৩১৬ ডেঙ্গুতে একদিনে আরও ৮ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৫৯৩ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার মধ্যেই চীন সফরে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি কিম জং উনের ছেলে সন্তান ঘিরে রহস্য, উত্তরসূরি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে তর্ক বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতে চীনের ব্যাপক বিনিয়োগের আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ডিএসসিসি কার্যালয়ে প্রশাসকের ঝটিকা পরিদর্শন জ্বালানি হামলা বন্ধের প্রস্তাবে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে কী বলল মস্কো? পবিত্র মক্কা, জেদ্দা ও তাইফে জরুরি সতর্কতা জারি করল সৌদি আরব ৭ জনের ফাঁসির রায়ে ককটেল বিস্ফোরণ বড় বিষয় নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কামারখন্দে ডাকাত সর্দারকে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন স্বজনরা


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৪ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:২৪ পিএম

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে আন্ত জেলা ডাকাত সর্দার রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু (৩৮) কে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন তারই স্বজনরা। স্থানীয়দের অভিযোগ ও একাধিক অপরাধে জড়িত থাকার তথ্যের ভিত্তিতে তাকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন আকন্দ। তিনি জানান, রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু নিজ বাড়িতে অবস্থান করতেন না। তার কর্মকাণ্ডে স্থানীয় বাসিন্দা ও স্বজনরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছিলেন। শনিবার ভোরে তিনি বাড়িতে এলে স্বজনরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটকে রাখেন এবং জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ ফোন করেন।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে কামারখন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার পর তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হয়। রবিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার রাশেদুল ইসলাম ওরফে কেচু কামারখন্দ উপজেলার ঝাঐল ইউনিয়নের কোনাবাড়ী গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে কামারখন্দসহ দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি, খুন, দস্যুতা, অপহরণ ও মাদকসংক্রান্ত মিলিয়ে মোট পনেরটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

ওসি শাহিন আকন্দ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন। স্বজনদের সহযোগিতায় তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তদন্ত ও আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ডাকাত সর্দারের কর্মকাণ্ডে এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছিল। বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত স্বজনরাই সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেন।

পুলিশ জানায়, অপরাধ দমনে কঠোর অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর