ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

ভুয়া স্বাক্ষরে অভিযোগ, আমতলী পৌর কর্মকর্তা হয়রানীর শিকার


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:৪১ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

আমতলী পৌরসভার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ নাশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে ২২ জন পৌর নাগরিকের নাম দিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ এবং স্বাক্ষর সম্পর্কে ২০ জনেরও কোনো অবগতিই নেই। তারা অভিযোগ করেছেন, যিনি এমন কাজ করেছেন, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

জানাগেছে, গত বছরের ৯ জানুয়ারী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবরে ওই ২২ জনের স্বাক্ষরিত ১০টি অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। অভিযোগে নাশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। তদন্তের জন্য তৎকালীন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেন।

তদন্তে দেখা যায়, অভিযোগকারী ২২ জনের মধ্যে শাহ আলম হাওলাদার ও তার ছেলে রাসেল হাওলাদার ছাড়া কেউ উপস্থিত হয়নি। বাকি ২০ জন অভিযোগকারীর স্বাক্ষর জাল, এবং তারা অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানেন না। বশির ডিলার, চাঁন মিয়া, জলিল ফকির, জসিম ফকির, নিজাম ফকির ও ছালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, তাদের স্বাক্ষর জাল করে ব্যবহার করা হয়েছে এবং দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।

মোঃ নাশির উদ্দিন বলেন, “আমাকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি মেনে নেব, অন্যথায় মিথ্যা অভিযোগকারীদের শাস্তি দাবি করছি।”

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মোঃ মাঞ্জুরুল হক কাওসার জানিয়েছেন, ঘটনার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কমিটির প্রধান মোঃ কবির হোসন জানিয়েছেন, একাধিকবার নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও ২০ জন অভিযোগকারী স্বাক্ষী দিতে উপস্থিত হননি। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেছেন, “তদন্ত প্রতিবেদন পেলে তা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আকাশজমিন /  আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর