ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

ভুয়া স্বাক্ষরে অভিযোগ, আমতলী পৌর কর্মকর্তা হয়রানীর শিকার


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১০ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:৪১ পিএম

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি:

আমতলী পৌরসভার হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ নাশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে ২২ জন পৌর নাগরিকের নাম দিয়ে অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগ এবং স্বাক্ষর সম্পর্কে ২০ জনেরও কোনো অবগতিই নেই। তারা অভিযোগ করেছেন, যিনি এমন কাজ করেছেন, তার শাস্তি হওয়া উচিত।

জানাগেছে, গত বছরের ৯ জানুয়ারী স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের সচিব বরাবরে ওই ২২ জনের স্বাক্ষরিত ১০টি অভিযোগ জমা দেওয়া হয়। অভিযোগে নাশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে অনিয়ম, অর্থ আত্মসাৎ ও জালিয়াতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। তদন্তের জন্য তৎকালীন আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ আশরাফুল আলম একটি পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠন করেন।

তদন্তে দেখা যায়, অভিযোগকারী ২২ জনের মধ্যে শাহ আলম হাওলাদার ও তার ছেলে রাসেল হাওলাদার ছাড়া কেউ উপস্থিত হয়নি। বাকি ২০ জন অভিযোগকারীর স্বাক্ষর জাল, এবং তারা অভিযোগের বিষয়ে কিছুই জানেন না। বশির ডিলার, চাঁন মিয়া, জলিল ফকির, জসিম ফকির, নিজাম ফকির ও ছালাম হাওলাদার জানিয়েছেন, তাদের স্বাক্ষর জাল করে ব্যবহার করা হয়েছে এবং দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।

মোঃ নাশির উদ্দিন বলেন, “আমাকে হয়রানী করার উদ্দেশ্যে ভুয়া স্বাক্ষর ব্যবহার করে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে শাস্তি মেনে নেব, অন্যথায় মিথ্যা অভিযোগকারীদের শাস্তি দাবি করছি।”

উপজেলা সমাজসেবা অফিসার ও তদন্ত কমিটির সদস্য সচিব মোঃ মাঞ্জুরুল হক কাওসার জানিয়েছেন, ঘটনার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও কমিটির প্রধান মোঃ কবির হোসন জানিয়েছেন, একাধিকবার নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও ২০ জন অভিযোগকারী স্বাক্ষী দিতে উপস্থিত হননি। আমতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহাম্মদ জাফর আরিফ চৌধুরী বলেছেন, “তদন্ত প্রতিবেদন পেলে তা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আকাশজমিন /  আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর