ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বেনাপোল দিয়ে এলো ৫ হাজার টন ভারতীয় চাল


  • আপলোড সময় : বুধবার ১১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৭:৪৮ পিএম

যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে সরকার ঘোষিত সময়সীমা শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত ভারত থেকে মোট ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন নন-বাসমতি মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। ১৬ কার্যদিবসে ৩২টি চালানের মাধ্যমে এসব চাল বন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করে এবং পরবর্তীতে বন্দর থেকে খালাস করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাতের জন্য পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাত ৯টা পর্যন্ত চাল আমদানির নির্ধারিত সময়সীমা ছিল।

আমদানিকারক ও বন্দর সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৬ কার্যদিবসে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে এসব চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এই সময়ের মধ্যে ৩২টি চালানের মাধ্যমে মোট ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন মোটা চাল দেশে আসে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের সহকারী পরিচালক কাজী রতন।

বন্দর সূত্রে আরও জানা যায়, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর—এই চার মাসে বেনাপোল বন্দর দিয়ে মোট ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়েছিল। তবে চলতি বছরে চালের সরবরাহ বাড়াতে সরকার ১৮ জানুয়ারি ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে মোট দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়। সরকার নির্ধারিত সময় অনুযায়ী ১০ মার্চের মধ্যে এসব চাল দেশে এনে বাজারজাত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।

ভারত থেকে আমদানিকৃত চালের মধ্যে বেশিরভাগই নন-বাসমতি মোটা চাল। এ চালের প্রধান আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ছিল হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্স এবং কেবি এন্টারপ্রাইজ।

বেনাপোলের আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হাজী মুসা করিম অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১৬ দিনের মধ্যে ১৪১টি ট্রাকে করে প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত আমদানি খরচ পড়েছে প্রায় ৫০ টাকা।

তিনি আরও জানান, বন্দর থেকে খালাসের পর এসব চাল দেশের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। খোলা বাজারে প্রতি কেজি চাল ৫১ টাকা দরে বিক্রি করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এতে বাজারে চালের দাম কিছুটা স্থিতিশীল থাকবে বলে আশা করছেন আমদানিকারকরা।

এদিকে বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেন বলেন, বেনাপোল বন্দর দিয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে প্রায় ৫ হাজার ৫ মেট্রিক টন নন-বাসমতি মোটা চাল আমদানি করেছে। আমদানি করা চালের চালানগুলো ইতোমধ্যে বন্দর থেকে খালাস করে নিয়ে গেছেন সংশ্লিষ্ট আমদানিকারকরা।

বন্দর কর্তৃপক্ষের মতে, সরকার ঘোষিত সময়ের মধ্যে চাল আমদানির কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় দেশে খাদ্যশস্যের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এটি সহায়ক ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে বাজারে চালের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে এই আমদানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর