বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এবারের ঈদে বিশেষ করে ভারতীয় ও পাকিস্তানি জিমিচু কাপড়ের পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। নারী ক্রেতাদের মধ্যে জিমিচু কাপড়ের থ্রি-পিস ও শাড়ির প্রতি আগ্রহ বেশি দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে পুরুষদের মধ্যে পাকিস্তানি পাঞ্জাবির চাহিদাও বেশ ভালো।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ঈদ বাজারে বিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ফলে ব্যবসায়ীদের মুখে সন্তুষ্টির হাসি ফুটেছে। ঈদকে সামনে রেখে পোশাক, জুতা, প্রসাধনীসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় লেগেই আছে।
জানা গেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতরের আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই মানুষের কেনাকাটার আগ্রহ বাড়ছে। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত মার্কেটগুলোতে চলছে বেচাকেনা।
ঈদের পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন টেইলার্স কারিগররাও। রাত জেগে কাজ করছেন তারা। স্থানীয় টেইলার্স মোঃ জাফর মিয়া বলেন, গত বছরের তুলনায় এ বছর পোশাক তৈরির অর্ডার অনেক বেশি পেয়েছি। সময়মতো ডেলিভারি দিতে কারিগরদের নিয়ে রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী আকন বস্ত্রালয়ের মালিক কামাল আকন জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর বিক্রি বেশ ভালো। বিশেষ করে পাকিস্তানি ও ভারতীয় জিমিচু কাপড়ের পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে।
ক্রেতা রাশিমুল হক রিমন বলেন, এ বছর পোশাকের নতুন নতুন ডিজাইন এসেছে। দাম কিছুটা বেশি হলেও পছন্দের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। আমি পাকিস্তানি পাঞ্জাবি কিনেছি।
নারী ক্রেতা আফসানা মিনি রাইহান বলেন, পাকিস্তানি ও ভারতীয় জিমিচু কাপড়ের থ্রি-পিস কিনেছি। এই কাপড়ের পোশাক এখন অনেকেই পছন্দ করছে।
আরেক নারী ক্রেতা রুবাইয়া আক্তার ও সুমাইয়া আক্তার জানান, পোশাকের দাম কিছুটা বেশি হলেও বাজারে পছন্দমতো পোশাক পাওয়া যাচ্ছে।
শনিবার আমতলী পৌর শহরের সুলভ বস্ত্রালয়, নিউ মাতৃছোয়া বস্ত্রালয়, আকন বস্ত্রালয়, মদনমোহন বস্ত্রালয়, সিরাজ উদ্দিন বস্ত্রালয়, ইসলামিয়া বস্ত্রালয় ও মাসফি চয়েজ হাউস ঘুরে দেখা যায় ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। নারী-পুরুষ সবাই পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের পোশাক কিনছেন।
এদিকে ঈদকে সামনে রেখে বাজারের নিরাপত্তা জোরদার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আমতলী থানার ওসি মোহাম্মদ জাহাঙ্গির হোসেন বলেন, ঈদ উপলক্ষে বাজারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করে মানুষ যাতে নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারে সে বিষয়টি নিশ্চিত করা হচ্ছে।