ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগের পর সরকার আরও ছয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ দিয়েছে। আজ (১৬ মার্চ ২০২৬) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এই তথ্য জানান।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হচ্ছেন অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক রইস উদ্দিন। এছাড়া বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান সহ–উপাচার্য অধ্যাপক মো. নুরুল ইসলামকে সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) নতুন উপাচার্য হলেন অধ্যাপক মো. মাসউদ আর। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন অধ্যাপক মো. আল ফোরকান।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, শিগগিরই এ-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে। নতুন উপাচার্যদের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা বজায় থাকবে এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নতুন নেতৃত্ব শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং শিক্ষার মান বৃদ্ধি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নতুন উপাচার্যদের নেতৃত্বে গবেষণা, প্রযুক্তি, শিক্ষার মান উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণমূলক উদ্যোগ আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।
শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন উপাচার্যদের নিয়োগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও স্থিতিশীলতা নিয়ে আসবে। এটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি করবে এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আরও সমৃদ্ধ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করবে।
এর আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম নিযুক্ত হয়েছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন অধ্যাপক মামুন আহমেদ। এই নিয়োগের ফলে দেশের শীর্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রশাসনিক সুশৃঙ্খলতা আরও দৃঢ় হবে।
নতুন উপাচার্যদের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণা, নতুন পাঠ্যক্রম উন্নয়ন এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমে আরও স্বচ্ছতা আসবে। শিক্ষামন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, নতুন নেতৃত্ব শিক্ষার মান বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণমূলক কার্যক্রমও শক্তিশালী করবে।
আকাশজমিন / আরআর