ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

মার্চের ২৪ দিনে প্রবাসী আয়ে ৩০০ কোটি ডলারের রেকর্ড


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৪৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৫ কোটি ডলারের ওপর। এই প্রবাহের মাধ্যমে চলতি মাসে একক মাস হিসেবে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রেমিট্যান্সের এই উচ্চ প্রবাহের পেছনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রভাব কাজ করেছে। সাধারণত ঈদের মাসে প্রবাসীরা পরিবারের জন্য বেশি অর্থ দেশে পাঠান। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে গত বছরের মার্চ মাসে। সেই সময় প্রবাসীরা ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে গত বছরের ডিসেম্বরে, যা ছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে গত জানুয়ারিতে, ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৫০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১০.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি। পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ১২৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে প্রবাসী আয়ের ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় আটজন অর্থনীতিবিদ। তারা বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ধাক্কা দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রিজার্ভ সংরক্ষণ জরুরি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এখন সুদহার কমানো ঠিক হবে না। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সুদহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তে বিকল্প উৎসের ব্যবস্থা জরুরি। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও তা সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে চাপানো ঠিক হবে না, এতে মূল্যস্ফীতি বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, বৈশ্বিক সংকট কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারা দেশের মুদ্রা ও অর্থনীতির জন্য শক্তিশালী সমর্থন হিসেবে কাজ করছে। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের এই অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

মার্চ মাসের এই রেকর্ড সম্ভাবনার খবর দেশের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ছে, যা দেশের রপ্তানি, বিনিয়োগ ও জ্বালানি খাতে সহায়ক হতে পারে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর