ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

মার্চের ২৪ দিনে প্রবাসী আয়ে ৩০০ কোটি ডলারের রেকর্ড


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৪:৪৫ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

চলতি মার্চ মাসের প্রথম ২৪ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২৪ মার্চ পর্যন্ত প্রাপ্ত মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩০৫ কোটি ডলারের ওপর। এই প্রবাহের মাধ্যমে চলতি মাসে একক মাস হিসেবে রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে নতুন রেকর্ড গড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

রেমিট্যান্সের এই উচ্চ প্রবাহের পেছনে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রভাব কাজ করেছে। সাধারণত ঈদের মাসে প্রবাসীরা পরিবারের জন্য বেশি অর্থ দেশে পাঠান। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে দেখা গেছে, দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে গত বছরের মার্চ মাসে। সেই সময় প্রবাসীরা ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছে গত বছরের ডিসেম্বরে, যা ছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে গত জানুয়ারিতে, ৩১৭ কোটি মার্কিন ডলার।

চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৫০ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ১০.৯০ শতাংশ বৃদ্ধি। পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ে প্রাপ্ত রেমিট্যান্স ছিল ২ হাজার ১২৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে প্রবাসী আয়ের ডলারের দাম বেড়ে যাওয়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ধরে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন শীর্ষস্থানীয় আটজন অর্থনীতিবিদ। তারা বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য ধাক্কা দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। তাই রিজার্ভ সংরক্ষণ জরুরি।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এখন সুদহার কমানো ঠিক হবে না। ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সুদহার কমানোর উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে। এছাড়া জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তে বিকল্প উৎসের ব্যবস্থা জরুরি। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও তা সরাসরি গ্রাহক পর্যায়ে চাপানো ঠিক হবে না, এতে মূল্যস্ফীতি বাড়বে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেছেন, বৈশ্বিক সংকট কতটা দীর্ঘস্থায়ী হবে তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে রেমিট্যান্স প্রবাহের ধারা দেশের মুদ্রা ও অর্থনীতির জন্য শক্তিশালী সমর্থন হিসেবে কাজ করছে। দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসীদের এই অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

মার্চ মাসের এই রেকর্ড সম্ভাবনার খবর দেশের অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে আশাবাদ সৃষ্টি করেছে। প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বাড়ছে, যা দেশের রপ্তানি, বিনিয়োগ ও জ্বালানি খাতে সহায়ক হতে পারে।

আকাশজমিন / আরআর 


এ সম্পর্কিত আরো খবর