ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

অনিয়মে জড়িত আইন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে অ্যাটর্নি জেনারেল


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৩:৩০ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কিছু আইন কর্মকর্তা অনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং নোট বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তিনি জানান, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের পর তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে আজ নিজ কর্মদিবসে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান। এর আগে    রবিবার বেলা ১১টায় সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে মোনাজাতের মাধ্যমে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যক্রম শুরু করেন। এসময় সিনিয়র আইনজীবীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

মোনাজাত ও শুভেচ্ছা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিলন, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল, সিনিয়র আইনজীবী ও সংসদ সদস্য ফজলুল রহমান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা এবং মোহাম্মদ অনীক আর হক।

ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, “আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও সততার মানদণ্ড বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের কার্যালয়ের সকল কর্মকর্তা যাতে দায়িত্বের সঙ্গে আইন প্রয়োগ করেন, তা নিশ্চিত করা হবে। অনিয়মে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় দেশের আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এখানে দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের সততা ও নৈতিকতা অপরিহার্য। যে কোনো অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করা হবে এবং প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে তার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিনেই এই ঘোষণা আইন কর্মক্ষেত্রে সততা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখার প্রতি জোরালো সংকেত হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এটি দেশের বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এর আগে গত বুধবার রাষ্ট্রপতি তাকে বাংলাদেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেন। এই নিয়োগ দেশের আইনি কার্যক্রমে নতুন দিশা ও উদ্দীপনা যোগ করবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর