ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

মাধবপুর সীমান্ত থেকে গাঁজা উদ্ধার, আসামি পলাতক


  • আপলোড সময় : রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৯:১৫ পিএম

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২২ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। তবে এ ঘটনায় জড়িত মূল আসামি পালিয়ে গেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে সরাইল ব্যাটালিয়ন (২৫ বিজিবি)-এর ধর্মঘর বিওপির একটি বিশেষ টহলদল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার কালিকাপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় একটি বাড়ির পাশের ড্রামের ভেতরে লুকানো অবস্থায় বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, উদ্ধার হওয়া গাঁজার পরিমাণ প্রায় ২২ কেজি, যা ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে দেশে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাদকগুলো কৌশলে ড্রামের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল, যাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে তা সরিয়ে নেওয়া যায়।

অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে তদন্তের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট একজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তিনি হলেন—মোঃ সোহেল মিয়া (৩৫), পিতা: মৃত আব্দুল আলী, গ্রাম: কালিকাপুর, উপজেলা: মাধবপুর, জেলা: হবিগঞ্জ। অভিযানের সময় তিনি পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।

বিজিবি জানিয়েছে, এ ঘটনায় মাধবপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

সরাইল ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহমেদ বলেন, “উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য মাধবপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকায় মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।”

স্থানীয়দের মতে, সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই মাদক চোরাচালান একটি বড় সমস্যা হিসেবে দেখা দিয়েছে। চোরাচালানকারীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মাদক দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। এতে যুবসমাজের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।

তারা মনে করছেন, এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হলে মাদক চোরাচালান অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হলে মাদকসহ অন্যান্য অবৈধ পণ্য চোরাচালান রোধ করা সম্ভব হবে। বিজিবির সাম্প্রতিক এই অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর