ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্লাস নিয়ে নতুন পরিকল্পনা


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৫:০৬ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে তেল ও জ্বালানি সরবরাহে সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতি দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাকেও প্রভাবিত করছে। দেশজুড়ে জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্দেশ্যে সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্লাস পরিচালনার ধরণে পরিবর্তন আনা হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানান, স্কুল ও কলেজগুলোর ক্লাসের সময়সূচি পুনর্বিন্যাস এবং অনলাইন ক্লাসের গুরুত্ব বৃদ্ধি করার বিষয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে সশরীরে ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষাদান নিশ্চিত করার উপায় খুঁজছি। এটি শুধু শিক্ষার্থীর সুবিধা নয়, বরং জ্বালানি সাশ্রয়ের দিক থেকেও কার্যকর হবে।”

শিক্ষামন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্লাসের নতুন সময়সূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়াও শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, দেশের মেট্রোপলিটন এলাকায় অনলাইন শিক্ষাদানকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। এতে করে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে শিক্ষার সুযোগ পাবে এবং স্কুল-কলেজে আসা কমিয়ে জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, “সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে আমরা চাই অনলাইন ও সশরীরে ক্লাসের মধ্যে একটি ভারসাম্য রেখে শিক্ষার মান বজায় রাখা।” শিক্ষামন্ত্রীর মতে, এই পদক্ষেপ শিক্ষার্থীদের শেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি দেশের জ্বালানি সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রভাব সরাসরি দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং জ্বালানি খরচে পড়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ক্লাস সময়সূচি ও অনলাইন শিক্ষার ব্যবস্থায় দক্ষতা বৃদ্ধি করা যায়, তবে এটি জ্বালানি সাশ্রয়ের পাশাপাশি শিক্ষার মানও বৃদ্ধি করবে।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য বিশেষ প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করা হবে। শিক্ষকদের জন্য অনলাইন ক্লাস পরিচালনার প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষার্থীদের জন্য ডিজিটাল শিক্ষার উপকরণ সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়াও দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও ধাপে ধাপে অনলাইন ক্লাসের সুযোগ সম্প্রসারিত হবে। শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, “আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে দেশের সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা, যাতে জ্বালানি সাশ্রয় এবং শিক্ষার মান একসাথে বৃদ্ধি পায়।”

নতুন পরিকল্পনার ফলে শিক্ষার্থীরা ঘরে বসে শিখতে পারবে এবং স্কুলের যাতায়াত কমে আসবে। এটি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের জন্য সুবিধাজনক এবং দেশের জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্যও সহায়ক হবে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর