ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

আপাতত বাড়ছে না জ্বালানি তেলের দাম


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ৩১ মার্চ, ২০২৬ সময় : ৬:১৮ পিএম

চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানির অস্থিরতা বেড়ে গেছে। ক্রমাগত দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে সাধারণ ভোক্তারা জ্বালানি তেলের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছেন। এর মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে, এপ্রিল মাসে তেলের দাম বাড়তে পারে। তবে সরকার আপাতত দাম অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ থেকে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) পাঠানো বার্তায় জানানো হয়েছে, ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা (সংশোধিত)’ অনুযায়ী ভোক্তা পর্যায়ে ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ১০০ টাকা, অকটেন ১২০ টাকা, পেট্রোল ১১৬ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা বহাল রাখা হয়েছে। নতুন এই দাম ১ এপ্রিল ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে সকালে খবর ছিল, বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে নতুন দাম ঘোষণা হতে পারে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী জানান, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

তিনি আরও জানান, ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট এক লাখ ৯২ হাজার ৯১৯ টন জ্বালানি তেল মজুদ রয়েছে, যা দিয়ে প্রায় ১৫–১৬ দিনের চাহিদা পূরণ সম্ভব। এর মধ্যে ডিজেল এক লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ টন, অকটেন সাত হাজার ৯৪০ টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ টন এবং জেট ফুয়েল ৪৪ হাজার ৬০৯ টন। এপ্রিল মাসে আরও প্রায় দেড় লাখ টন ডিজেল দেশে আসার আশা রয়েছে।

সরকার আশ্বস্ত করেছে, জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই। মোট চাহিদার প্রায় ৬৩ শতাংশই ডিজেল, যা মূলত কৃষি এবং গণপরিবহন খাতে ব্যবহৃত হয়।

এদিকে, জ্বালানি সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি বাড়ানো, অফিস সময় কমানো এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস চালুর মতো উদ্যোগও বিবেচনায় রয়েছে। সরকারের প্রস্তুতি অনুযায়ী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়েছে এবং ভোক্তাদের জন্য পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে।

সরকারের এই সিদ্ধান্তে ভোক্তাদের স্বস্তি ফিরে এসেছে। ডিজেল ও পেট্রোলের দাম অপরিবর্তিত থাকায় পরিবহন ও দৈনন্দিন জীবনে খরচ বৃদ্ধি পাবে না। তেলের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মাধ্যমে ব্যবসা ও কৃষি খাতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর