বাংলাদেশ মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি আনার পরও চলমান ইরান যুদ্ধের কারণে সরবরাহে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ভারত থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি, বিশেষ করে ডিজেল আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।
ড. খলিলুর রহমান মরিশাসে ভারত মহাসাগর সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আগে নয়াদিল্লি সফর করবেন। সূত্র জানায়, ৮ এপ্রিল তিনি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং বাণিজ্যমন্ত্রী পিযুস গোয়ালের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর হবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২০২৬-২০২৭ সালের সভাপতি পদে বাংলাদেশ প্রার্থী করেছে। এই প্রার্থিতা প্রক্রিয়ায় তিনি ভারতের সমর্থন চাইতে পারেন।
১৯৯৬ সালে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ একটি তিন দশক মেয়াদি গঙ্গা পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। চুক্তির মেয়াদ প্রায় শেষ হওয়ায় উভয় দেশের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি জলবিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত মূল্যায়ন করেছে। চুক্তি অনুযায়ী ভারত উজান তীরবর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশে পানি ছাড়ার দায়িত্ব পালন করে।
ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পানির প্রবাহে জলবায়ুগত প্রভাব এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ। নতুন করে চুক্তি হলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্মতি আবশ্যক।
এছাড়া, সফরের আলোচনায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহ, বিশেষ করে ডিজেল সরবরাহের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন। এর অংশ হিসেবে ভারতের জ্বালানিমন্ত্রী হরদ্বীপ পুরির সঙ্গে বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
বাংলাদেশের জন্য ভারতীয় জ্বালানি সরবরাহ বৃদ্ধি করা এবং গঙ্গা চুক্তির কার্যকারিতা বজায় রাখা এই সফরের মূল লক্ষ্য। সূত্রের খবর, উভয় দেশই এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখাচ্ছে।