ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

১৪ ঘণ্টা পর সিলেটে পাম্প মালিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ০২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৫:১৮ পিএম

সিলেট বিভাগে টানা ১৪ ঘণ্টা পর অবশেষে পেট্রোল পাম্প মালিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) দুপুর দুইটা থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটার্স, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় শাখার নেতৃবৃন্দ।

এর আগে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসনের সঙ্গে পেট্রোল পাম্প মালিকদের প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উভয় পক্ষ তাদের নিজ নিজ অবস্থান তুলে ধরেন এবং চলমান সংকট নিরসনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনা শেষে সমঝোতার ভিত্তিতেই ধর্মঘট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ধর্মঘট চলাকালীন সময়ে বুধবার রাত থেকেই সিলেটজুড়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ ও যানবাহনের চালকেরা। জ্বালানি সংকটের কারণে নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ যানজট ও গাড়ির সারি দেখা যায়। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি, ফলে তাদের দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হয়।

শুধু সিলেট নয়, বিভাগের অন্যান্য জেলা যেমন হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জেও একই চিত্র দেখা গেছে। জ্বালানি তেলের অভাবে এসব জেলায় পরিবহন সংকট তৈরি হয় এবং যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। বিশেষ করে সুনামগঞ্জ ও মৌলভীবাজারে জ্বালানি সংকটের প্রতিবাদে পরিবহন শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেন, যার ফলে সড়ক যোগাযোগে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়।

পেট্রোল পাম্প মালিকরা অভিযোগ করেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের হয়রানির কারণে তারা এই ধর্মঘট কর্মসূচি দিতে বাধ্য হয়েছেন। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সমস্যা থাকলেও সেগুলোর সমাধান হয়নি, বরং প্রশাসনিক চাপ বাড়ানো হয়েছে।

অন্যদিকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জনগণের দুর্ভোগ কমাতে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা জরুরি ছিল। সেই আলোচনার মাধ্যমেই আপাতত একটি সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।

ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণার পর থেকেই ধীরে ধীরে পেট্রোল পাম্পগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চালকরা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন এবং জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় পরিবহন চলাচলও ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আবারও এ ধরনের সংকট দেখা দিতে পারে। তাই প্রশাসন ও পেট্রোল পাম্প মালিকদের মধ্যে সমন্বয় রেখে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর