ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

সিংগাইরে শিশু রকিবুলকে বাঁচাতে মা -বাবার আকুতি


  • আপলোড সময় : রবিবার ১২ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৮:৩৭ পিএম

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 
জন্মগতভাবে হৃদরোগে আক্রান্ত ৭ বছরের শিশু রকিবুল ইসলামের জীবন সংকটাপন্ন। জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজন প্রায় ৭ লাখ টাকা, যা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে তার দরিদ্র পরিবার।
মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার সায়েস্তা ইউনিয়নের কানাইনগর গ্রামের অটোচালক মাসুদ ও গৃহিণী রাশিদার একমাত্র ছেলে রকিবুল। সে স্থানীয় হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রা.) বালিকা মাদ্রাসার প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জন্মের দেড় মাসের মাথায় রকিবুলের হৃদযন্ত্রে ছিদ্র, রক্তনালীর জটিলতা ও সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর থেকে রাজধানীর ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনে তার চিকিৎসা চলছে।
তারা আরো জানায়, চার মাস আগে প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে তার একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। সে সময় রক্ত জমাট বেঁধে রক্তের  ঘনত্ব বেড়ে যায়। ফলে অতিরিক্ত রক্ত অপসারণসহ হার্টে বেলুন পরানো হয়। চিকিৎসকরা জানান, আগস্টে অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি হিসেবেই এই ধাপটি সম্পন্ন করা হয়েছে। না হলে পরবর্তী অপারেশন আরও জটিল ও ঝুঁকিপূর্ণ হতো।
অস্ত্রোপচারের পরও রকিবুলের অবস্থার তেমন উন্নতি হয়নি। বর্তমানে সে শ্বাসকষ্টে ভুগছে, ঠিকমতো খেতে পারে না এবং ঠান্ডা লাগলেই শরীর নীল হয়ে যায়। ঘনঘন সর্দি-কাশিও দেখা দিচ্ছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আগস্টের মধ্যে জরুরি অস্ত্রোপচার না করলে হৃদযন্ত্রের ফুটো আরও বড় হতে পারে এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকা ব্যয় হবে, যা পরিস্থিতি অনুযায়ী আরও বাড়তে পারে।
রকিবুলের বাবা মাসুদ বলেন, ইতিমধ্যে ছেলের চিকিৎসার জন্য এনজিও থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছি। জন্মের পর থেকেই চিকিৎসায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। এখন এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়।
তিনি আরও বলেন, সময়মতো অপারেশন না হলে ছেলেকে বাঁচানো যাবে না। তাই সমাজের বিত্তবান ও সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রকিবুলের মা রাশিদা বলেন, আমার ছেলেকে বাঁচাতে সবার সহযোগিতা চাই। আপনারা আমার সন্তানটাকে বাঁচান।
স্থানীয় স্বজনরা জানান, অর্থাভাবে চিকিৎসা অনিশ্চয়তায় পড়েছে রকিবুলের জীবন। দ্রুত সহায়তা না পেলে তার জীবন ঝুঁকির মুখে পড়বে।
এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা সদ্যযোগদান করা সমাজসেবা অফিসার রওশন মন্ডল বলেন, বিশেষ কিছু রোগে আক্রান্তদের আবেদন সাপেক্ষে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। আবেদনে সঠিক কাগজপত্র জমা দিলে যাচাই-বাছাই করে সহায়তার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান তিনি। যদি কোন সহৃদয়বান ব্যাক্তি সহায়তা করতে পারেন। সাহায্য পাঠানোর জন্য (বিকাশ – ব্যক্তিগত): ০১৭৫৪৮৪৫৮৫৫।


এ সম্পর্কিত আরো খবর