ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারী টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব ছাড়লেন নিগার সুলতানা ইয়েমেনের মারিবে হুথিদের অস্ত্রের গুদামে বিমান হামলা সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল পাইপলাইন বন্ধ, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উদ্বেগ আসিফ নজরুলের নির্দেশেই বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ইউএনডিপির সাহায্য চান এলজিআরডি মন্ত্রী যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১ ওবায়দুল কাদেরের সম্পদের পরিমাণ কত? সারের ডিলার কমিশন বাড়লেও কৃষকের কেনা দাম একই থাকছে কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

উৎপাদন ঘাটতি মোকাবিলায় ইউরিয়া আমদানি বাড়াচ্ছে সরকার


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৭:০৬ পিএম

সারের উৎপাদন ঘাটতি মেটাতে সরকার সাত লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর। তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি ও জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের সব ইউরিয়া সার কারখানায় পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না, ফলে অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

রবিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে তিনি এ তথ্য জানান। অধিবেশনটি অনুষ্ঠিত হয় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে।

শিল্পমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে চলমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবেও সার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর ফলে কেবল ঘোড়াশাল-পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি সীমিতভাবে উৎপাদন কার্যক্রম চালু রেখেছে। অন্যান্য কারখানাগুলো পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়ায় উৎপাদনে যেতে পারছে না।

এই উৎপাদন ঘাটতি মোকাবিলায় সরকার জিটুজি (সরকার টু সরকার) চুক্তির আওতায় মোট ৩ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে সৌদি বেসিক ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (এসএবিআইসি) থেকে ২ লাখ মেট্রিক টন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব থেকে ১ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া আমদানি করা হবে।

এছাড়া আন্তর্জাতিক কোটেশন পদ্ধতির মাধ্যমে আরও ৪ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সব মিলিয়ে মোট ৭ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার আমদানির উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের আশ্বাস অনুযায়ী ১ মে থেকে শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলে প্রতিষ্ঠানটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে পারবে। এতে দেশের অভ্যন্তরীণ সার উৎপাদন কিছুটা হলেও স্বাভাবিক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, শিল্প খাতে ব্যবহৃত জ্বালানি ও কাঁচামাল সংগ্রহে সরকার জিটুজি ও টেন্ডার পদ্ধতির সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মাধ্যমে সরবরাহ চেইন সচল রাখার চেষ্টা চলছে।

টিএসপি ও ডিএপি সারের বিষয়ে তিনি জানান, এসব সার উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল যেমন রক ফসফেট, ফসফরিক এসিড ও সালফার সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এজন্য টেন্ডারের পাশাপাশি উৎপাদনকারী দেশ মরক্কো, জর্ডান, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে সার সংকট মোকাবিলা করে কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখা এবং খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানান শিল্পমন্ত্রী।


এ সম্পর্কিত আরো খবর