ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আসিফ নজরুলের নির্দেশেই বিশ্বকাপে খেলেনি বাংলাদেশ: তদন্ত কমিটি স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করতে ইউএনডিপির সাহায্য চান এলজিআরডি মন্ত্রী যুদ্ধবিরতির মধ্যেই গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত ১ ওবায়দুল কাদেরের সম্পদের পরিমাণ কত? সারের ডিলার কমিশন বাড়লেও কৃষকের কেনা দাম একই থাকছে কুষ্টিয়া সীমান্তে বিএসএফের পুশইনের অপচেষ্টা প্রতিহত করলো বিজিবি পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 'যাচাই না করা' সংবাদে সাংবাদিকদের হতে পারে ১০ বছরের জেল সুপ্রিম কোর্টের মূল ফটকের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকের পরই ভোটের তারিখ চূড়ান্ত: ইসি সচিব

ওবায়দুল কাদেরের সম্পদের পরিমাণ কত?


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সময় : ৫:১২ পিএম

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

রায়ে ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। অন্য আসামিরা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান। রায়ে বলা হয়েছে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল রায়ে ওবায়দুল কাদের, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মোহাম্মদ আলী আরাফাত, শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিলের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্তের আদেশ দিয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি সম্পদ বাজেয়াপ্তের আদেশের পর আলোচনায় এসেছে ওবায়দুল কাদেরের সম্পত্তির হিসাব। ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৫ আসনের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, সে সময় তাঁর মোট স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মূল্য ছিল প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকা। আদালতের আদেশ অনুযায়ী তাঁর এই ঘোষিত সম্পদের অর্ধেক বাজেয়াপ্তের আওতায় পড়বে।

হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, তাঁর হাতে নগদ অর্থ ছিল ৮০ হাজার টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ছিল প্রায় ৭৬ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্রে ছিল প্রায় দেড় কোটি টাকা। এ ছাড়া ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের একটি গাড়ি, দেড় লাখ টাকা মূল্যের ২৫ তোলা সোনা, ৯ লাখ ২০ হাজার টাকার ইলেকট্রনিকস সামগ্রী এবং ৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকার আসবাবপত্র ছিল। সব মিলিয়ে তাঁর অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখানো হয় প্রায় ৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা।

স্থাবর সম্পদের মধ্যে ঢাকার উত্তরায় পাঁচ কাঠা জমির তথ্য উল্লেখ করেছিলেন ওবায়দুল কাদের, যার মূল্য ছিল প্রায় ৫১ লাখ টাকা। তাঁর বার্ষিক আয়ের তথ্যে বাড়ি ভাড়া থেকে ১৪ লাখ ২৪ হাজার ৯২৪ টাকা, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক আমানত থেকে ৬ লাখ ৯৭ হাজার ২৮৪ টাকা, পেশাগত আয় ১২ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং বই লেখালেখি থেকে ৪ লাখ ২৫ হাজার ৩০০ টাকা উল্লেখ করা হয়।


এ সম্পর্কিত আরো খবর