ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়ন ও চাঁদাবাজি কঠোর হাতে দমন করা হবে: আইনমন্ত্রী ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ডেঙ্গুতে আরও ৬ প্রাণহানি, এক দিনে হাসপাতালে ১৫৬১ জন ভর্তি

সমুদ্র উত্তাল , চার বন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ২৮ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৫:৩৭ পিএম

অনলাইন রিপোর্টার

দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত জারি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে সমুদ্র অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, ফলে উপকূলীয় এলাকায় বসবাসকারী জেলে ও নৌযান মালিকদের জন্য বিশেষ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা এবং পায়রা সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বায়ুমণ্ডলের অস্বাভাবিক চাপের তারতম্যের কারণে উত্তর বঙ্গোপসাগরে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে এবং ঢেউয়ের উচ্চতা স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে যেতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সমুদ্রপথে চলাচলকারী নৌযানগুলোর জন্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে সমুদ্রবন্দরের আশপাশের এলাকায় অবস্থানরত মাছ ধরার সব নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত গভীর সমুদ্রে প্রবেশ না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের উপকূলের কাছাকাছি নিরাপদ এলাকায় অবস্থান করে সতর্কতার সঙ্গে চলাচল করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিশেষ করে জেলে ও ট্রলার মালিকদের উদ্দেশে কঠোর সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কোনোভাবেই গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া যাবে না। আবহাওয়ার এই অস্থিরতা স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাই সাময়িকভাবে মাছ ধরার কার্যক্রম সীমিত রাখার অনুরোধ জানানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি।

আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত উত্তর বঙ্গোপসাগরে বায়ুচাপের তারতম্যের কারণে এই ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যা সমুদ্রকে অস্থির করে তোলে। এ অবস্থায় ঝোড়ো হাওয়া, বজ্রসহ বৃষ্টি এবং ঢেউয়ের উচ্চতা বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে ছোট নৌযান ও ট্রলারগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসন ও কোস্টগার্ডকেও সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি জেলেদের নিরাপদে উপকূলে ফেরাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। একইসঙ্গে উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং ও প্রচারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরবর্তী নির্দেশনা অনুযায়ী সতর্ক সংকেত পরিবর্তন হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। তবে আপাতত সমুদ্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সবাইকে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।



এ সম্পর্কিত আরো খবর