ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

ভবিষ্যৎ তারকা তৈরির লক্ষ্যে সাতক্ষীরার মাঠে নেমেছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা


  • আপলোড সময় : বুধবার ২৯ এপ্রিল, ২০২৬ সময় : ৮:১৮ পিএম

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে প্রতিভা জন্মানোর অন্যতম উর্বর ভূমি হিসেবে পরিচিত সাতক্ষীরা জেলা। ক্রিকেট ও ফুটবলে এই জেলার অসংখ্য খেলোয়াড় ইতোমধ্যেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের জায়গা করে নিয়েছেন।

এই জেলার গর্ব হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার মোস্তাফিজুর রহমান, জাতীয় দলের সৌম্য সরকার, নারী ফুটবলে সাবেক অধিনায়ক সাবিনা খাতুন এবং বর্তমান অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি-এর মতো ক্রীড়াবিদরা। তৃণমূলের ছোট ছোট মাঠ থেকেই গড়ে ওঠা এসব তারকার পথ অনুসরণ করেই নতুন প্রজন্মকে এগিয়ে নিতে শুরু হয়েছে নতুন উদ্যোগ। সেই ধারাবাহিকতায় তৃণমূল পর্যায় থেকে নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করে ভবিষ্যৎ খেলোয়াড় তৈরির লক্ষ্য নিয়ে সাতক্ষীরায় শুরু হয়েছে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। 

বুধবার (২৯ এপ্রিল) সাতক্ষীরা জেলা স্টেডিয়াম-এ জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের আয়োজনে জেলা পর্যায়ের এই টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেছেন জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার। 
জেলার মোট ১ হাজার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে একটি করে বালক ও একটি করে বালিকা দল গঠন করা হয়েছে। ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতা শেষে নির্বাচিত দলগুলো বর্তমানে জেলা পর্যায়ে অংশগ্রহণ করছে। জেলা পর্যায়ে বিজয়ী দলগুলো পরবর্তীতে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।

সাতক্ষীরা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য তৈয়েব হাসান বাবু বলেন, সাতক্ষীরা জেলা বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনের একটি অনন্য জেলা। এখানে প্রায় প্রতিটি খেলাতেই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের খেলোয়াড় রয়েছে। তিনি বলেন, জেলার স্কুল মাঠগুলো সংস্কার করে আরও খেলার উপযোগী করা গেলে নতুন প্রজন্ম খেলাধুলার প্রতি আরও বেশি আকৃষ্ট হবে এবং প্রতিভাবান খেলোয়াড় তৈরির সুযোগ বাড়বে।

রেফারি একরামুজ্জামান জনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের খেলাধুলা থেকেই অনেক খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে উঠে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, সাতক্ষীরার নারী ফুটবলের খেলোয়াড়রা ইতোমধ্যে দেশের সুনাম অর্জন করেছেন। এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত থাকলে তৃণমূল পর্যায় থেকে আরও নতুন খেলোয়াড় উঠে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন বলেন, সাতক্ষীরা জেলায় মোট ১ হাজার ৯৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিটি বিদ্যালয় থেকে একটি করে বালক ও একটি করে বালিকা দল গঠন করা হয়েছে। এসব দল ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় পেরিয়ে জেলা পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে। জেলা পর্যায়ের খেলা শেষে বিজয়ী দলগুলো বিভাগীয় পর্যায়ে অংশ নেবে এবং সেখান থেকে উত্তীর্ণ দল জাতীয় পর্যায়ের গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট চালুর ফলে শিশুদের খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পেয়েছে। পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় পারদর্শী করে তোলা এবং ভবিষ্যতে একটি দক্ষ ও যোগ্য প্রজন্ম গড়ে তোলাই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
আকাশজমিন / আরআর 



এ সম্পর্কিত আরো খবর