ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

নির্যাতনের পর যুবককে হত্যা, মহাসড়কের পাশে ফেলে রাখা মরদেহ


  • আপলোড সময় : মঙ্গলবার ০৫ মে, ২০২৬ সময় : ৫:২৩ পিএম

পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রাজধানী ঢাকায় অপহরণ ও নির্যাতনের পর এক যুবককে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পরে তার মরদেহ হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশ থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার আন্দিউড়া এলাকায় আন্দিউড়া উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রায় ১০০ গজ দূরে মহাসড়কের পাশ থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ সময় ঢাকা মহানগর পুলিশের বাড্ডা থানা ও মাধবপুর থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

নিহত ফরহাদ হোসেন মাহির (২৩) ঢাকার উত্তরখান থানাধীন চানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মৃত আব্দুল আউয়ালের ছেলে এবং তার মায়ের নাম মাজেদা বেগম।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ঢাকার আফতাবনগর এলাকায় মাহিরকে অপহরণ করে একটি বাসায় আটকে রাখা হয়। সেখানে তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

পরদিন একটি প্রাইভেটকারে করে মরদেহটি নরসিংদী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে মাধবপুর এলাকায় এনে ফেলে রাখা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামির দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড্ডা থানার এসআই হানিফের নেতৃত্বে পুলিশ অভিযান চালায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার শেষে সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে মাধবপুর থানা পুলিশ।

পুলিশ আরও জানায়, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং পরকীয়া সংক্রান্ত বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এটি একটি সংবেদনশীল ঘটনা এবং গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে ঘটনাটি নিয়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

সব মিলিয়ে, একটি ব্যক্তিগত সম্পর্কের বিরোধ থেকে এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আবারও সমাজে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলছে, দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর