ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬,  ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে বসছে এআই ক্যামেরা, আইন ভাঙলেই স্বয়ংক্রিয় মামলা ফ্যাসিস্টরা স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়াতে জাপান সফরে নতুন ৪টি সমঝোতা স্মারক সই পাশাপাশি চার কবরে চিরনিদ্রায় একই পরিবারের চার সদস্য স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৬৪, আহত ৮০ ঢামেকে বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্সের ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: ১৮৫ কেন্দ্রের মধ্যে ১১৫টিই অধিক ঝুঁকিপূর্ণ প্রগতির আড়ালে নৈতিক দেউলিয়া সমাজ: বিশ্ব যখন শেখায়, আমরা তখন পিছিয়ে সেঞ্চুরি থেকে মাত্র ১ রান দূরে সাদমান, প্রথম দিনে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২১৩ স্পেনে দ্রুতগতির দুই ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৪৬

সাঘাটায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৬ মে, ২০২৬ সময় : ৪:২৫ পিএম

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পলাশবাড়ী উপজেলার তালুক জামিরা গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে মো. মেহেদী হাসান ওরফে মিন্টু (২২) এবং একই গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মো. আশিকুর রহমান আশিক (২৪)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৫ মে) রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঘাটা থানার একটি আভিযানিক দল উপজেলার পুদুমশহর ইউনিয়নের পুদুমশহর গ্রামের রেলগেট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় আজিজিয়া মেডিকেল হলের সামনে পাকা সড়কে মাদক কেনাবেচার সময় দুইজনকে আটক করা হয়।

তল্লাশির সময় মেহেদী হাসানের কাছ থেকে ২৫ পিস এবং আশিকুর রহমানের কাছ থেকে ১৫ পিসসহ মোট ৪০ পিস গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাশবাড়ী ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক বিস্তার রোধে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযান জোরদার হওয়ায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সমাজ থেকে মাদক ব্যবসা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজকে সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর