ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

সাঘাটায় ৪০ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২


  • আপলোড সময় : বুধবার ০৬ মে, ২০২৬ সময় : ৪:২৫ পিএম

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় ৪০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৬ মে) সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহবুব আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, পলাশবাড়ী উপজেলার তালুক জামিরা গ্রামের আনিছুর রহমানের ছেলে মো. মেহেদী হাসান ওরফে মিন্টু (২২) এবং একই গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মো. আশিকুর রহমান আশিক (২৪)।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (৫ মে) রাত আনুমানিক পৌনে ১১টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাঘাটা থানার একটি আভিযানিক দল উপজেলার পুদুমশহর ইউনিয়নের পুদুমশহর গ্রামের রেলগেট বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। ওই সময় আজিজিয়া মেডিকেল হলের সামনে পাকা সড়কে মাদক কেনাবেচার সময় দুইজনকে আটক করা হয়।

তল্লাশির সময় মেহেদী হাসানের কাছ থেকে ২৫ পিস এবং আশিকুর রহমানের কাছ থেকে ১৫ পিসসহ মোট ৪০ পিস গোলাপি রঙের ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা স্বীকার করেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে পলাশবাড়ী ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকায় মাদক বিস্তার রোধে পুলিশ নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করছে। সাম্প্রতিক সময়ে এ ধরনের অভিযান জোরদার হওয়ায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মাহবুব আলম বলেন, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং সমাজ থেকে মাদক ব্যবসা সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, নিয়মিত অভিযান ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। একই সঙ্গে পরিবার ও সমাজকে সচেতন ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


এ সম্পর্কিত আরো খবর