ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অঙ্গ পাচার চক্রের হাত থেকে ফিরল লোহাগাড়ার রায়হান ডিএমপির ৩ সহকারী পুলিশ কমিশনারকে নতুন পদে বদলি মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ: বিশ্ববাজারে তেলের দাম ছাড়াল ১০৭ ডলার হরমুজে নতুন নৌপথ: ওমানের আঞ্চলিক বৈঠক স্থগিত দেশে ফিরে ইতালিতে হামলার বিরুদ্ধে মুখ খুললেন অভিনেত্রী বাঁধন ব্রিকসে বিশ্বনেতাদের দেওয়া হলো নিরামিষ খাবার: বিজেপি-কংগ্রেস তুমুল বিতর্ক সারাদেশে ঘরে ঘরে জ্বর: ডেঙ্গু ও হামের সঙ্গে বাড়ছে টাইফয়েড ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলেই কি থামবে মধ্যপ্রাচ্যের ইরান যুদ্ধ? ‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে

কুমিল্লার উত্তর দুর্গাপুরে পুকুর ভরাটে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা


  • আপলোড সময় : রবিবার ১০ মে, ২০২৬ সময় : ৭:২৬ পিএম

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলায় পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মো: ইউসুফ নামের এক ব্যক্তিকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভরাটকৃত পুকুরের অংশ পুনঃখনন করে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন।

শনিবার (০৯ মে ২০২৬) আদর্শ সদর উপজেলার উত্তর দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর মৌজায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা যায়, দুর্গাপুর মৌজার বিএস ৭৮৮ দাগভুক্ত একটি শ্রেণিভুক্ত পুকুর ভরাটের অভিযোগের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এর ৬(ঙ) ধারায় অপরাধের দায়ে মো: ইউসুফ মিয়াকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। পরে একই আইনের ১৫(১) ধারায় তাকে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

এছাড়া পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে ভরাটকৃত পুকুরের অংশ পুনঃখনন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

মোবাইল কোর্ট চলাকালে অভিযানের সময় আরও কয়েকজন জড়িত ব্যক্তি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে। তাদের তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত ও বিচার করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় পলাতক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের জন্য পরিবেশ অধিদপ্তর, কুমিল্লা কার্যালয়ের ইন্সপেক্টরকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযান পরিচালনা করেন আদর্শ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাশিয়াত আকতার। অভিযানে সার্বিক সহযোগিতা করেন কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন এবং পুলিশ প্রশাসনের সদস্যরা।

প্রশাসন জানিয়েছে, পরিবেশ রক্ষা ও জলাশয় সংরক্ষণে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অবৈধভাবে পুকুর ভরাট, জলাধার ধ্বংস ও পরিবেশ আইন লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি পুকুর ভরাট করে স্থাপনা নির্মাণের চেষ্টা করছিল। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জলাবদ্ধতার ঝুঁকিও বাড়ছিল। মোবাইল কোর্টের এই উদ্যোগকে তারা ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জলাধার রক্ষা করা শুধু আইনের বিষয় নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই অবৈধ দখল ও ভরাট প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।

আকাশজমিন / আরআর    


এ সম্পর্কিত আরো খবর