ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ২৭ Jul ২০২৬,  ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রপ্তানি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য ১৫ শতাংশ, আয় হতে পারে ৬৩.৪ বিলিয়ন ডলার রাজধানীতে ১৮ মন্ত্রী চলবেন এসকর্ট ছাড়া, বহাল থাকছে ৭ জনের সুবিধা সাতক্ষীরায় অপরিকল্পিত মৎস্য ঘের: পানিবন্দী হাজারও মানুষ, সড়ক-শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্লাবিত সাতক্ষীরার তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অনুপস্থিত দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট দল ঘোষণা, নেই নাহিদ-লিটন সেনা কর্মকর্তাদের পদোন্নতি হোক মেধা ও যোগ্যতায়: প্রধানমন্ত্রী হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১১৬০ জামায়াত জোট ছাড়ার গুঞ্জন নাকচ করল নেজামে ইসলাম চলনবিলে অবাধে ব্যবহার হচ্ছে নিষিদ্ধ চায়নাদুয়ারী জাল লক্ষ্মীপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে ধারণ হলো ‘ইত্যাদি’র বিশেষ পর্ব

দশমিনায় যৌথ অভিযানে তুরাগ থানার মামলার আসামি গ্রেফতার


  • আপলোড সময় : সোমবার ১১ মে, ২০২৬ সময় : ৫:২৯ পিএম

পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার নিজাবাদ গোপালদী এলাকা থেকে ঢাকার তুরাগ থানার একটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করেছে ডিবি ডিএমপি ও দশমিনা থানা পুলিশের যৌথ টিম। বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার হওয়া আসামির নাম মো. রাসেল।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত মো. রাসেল দশমিনা উপজেলার নিজাবাদ গোপালদী এলাকার বাসিন্দা। তার পিতার নাম মো. নুর ইসলাম মাতবর।

গত ১০ মে পরিচালিত যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। রাজধানীর তুরাগ থানায় দায়ের হওয়া মামলা নং-১৮-এর এজাহারভুক্ত আসামি তিনি। মামলাটি ২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল দায়ের করা হয় এবং এতে পেনাল কোডের ১৭০/১৭১/৩৯৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেফতারের জন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি ডিএমপি ও দশমিনা থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে উপজেলার নিজাবাদ গোপালদী এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। পরে তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়।

দশমিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আতিকুল ইসলাম গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে যৌথ অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে বলে জানান তিনি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, যৌথ বাহিনীর এ অভিযানের পর এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। অপরাধ দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন তৎপরতাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন স্থানীয়রা। পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর