উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি : / : 57
রাজশাহী কলেজের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা উপকরণ প্রদান করেছে রাজশাহী কলেজ এইচএসসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন। শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত ও কার্যকর করতে সোমবার সকালে এসব উপকরণ কলেজ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক ডা. মো. মনোয়ার হোসেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
সোমবার (১১ মে) সকালে রাজশাহী কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা উপকরণ হস্তান্তর করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইব্রাহিম আলী এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু ইউনুছ আলী।
অনুষ্ঠানে কলেজ প্রশাসনের পক্ষ থেকে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানানো হয়। বক্তারা বলেন, শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কলেজ স্বাস্থ্যকেন্দ্রকে আরও সমৃদ্ধ করা প্রয়োজন। সাবেক শিক্ষার্থীদের এমন মানবিক ও দায়িত্বশীল উদ্যোগ বর্তমান শিক্ষার্থীদের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইব্রাহিম আলী বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্যসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের উপকারে আসবে এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্রের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু ইউনুছ আলীও অ্যালামনাই সদস্যদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ ধরনের সহযোগিতা প্রশংসনীয়। তিনি ভবিষ্যতেও এমন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
উপকরণ প্রদান অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজ এইচএসসি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সহসভাপতি ডা. রানা মাহফুজুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক টি.আই.এম গোলাম মওলা ডলার, কোষাধ্যক্ষ মো. আমির সাদাত, দপ্তর সম্পাদক মো. মিজানুল হক, প্রচার সম্পাদক সুজাউদ্দীন আহমেদ, যুগ্ম প্রচার সম্পাদক খালেদ বিন ওয়ালিদ আবির, যুগ্ম উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক শামিমা পারভীন, নির্বাহী সদস্য মো. মনোয়ার হোসেন ও মো. রাশিকুজ্জামান প্রীতমসহ অন্য সদস্যরা।
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা জানান, রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ভবিষ্যতেও বিভিন্ন ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহায়তায় তারা সবসময় পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
রাজশাহী কলেজের শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা উপকরণ যুক্ত হওয়ায় শিক্ষার্থীরা দ্রুত ও কার্যকর চিকিৎসাসেবা পাবেন।