ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ট্রফি চোর’ অপবাদ মাথায় নিয়ে শান্ত মেজাজে মাঠ ছাড়লেন নাকভি ২৩ বছরের খরা কাটল না আমেরিকার, ইউএস ওপেনের ট্রফি জভেরেভের হাতে পুরুষদের পর মেয়েরাও বর্জন করল নাকভিকে, দুবাইতে আবারও ট্রফি নাটক রাজধানীর বেসরকারি হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর পর তুলকালাম বিশ্বের দূষিত বায়ুর তালিকায় শীর্ষে সিঙ্গাপুর সিটি,ঢাকা ষষ্ঠ আসিফ মাহমুদের আমলের সব নিয়োগ ও পদোন্নতির নথি এখন দুদকে পঞ্চগড়ে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ: আহত ১৫, ২ ঘণ্টা মহাসড়ক অবরুদ্ধ অল্পের জন্য বাঁচলেন আন্তর্জাতিক নেতারা ৩৬ ঘণ্টা পর নিহত বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ ফেরত দিলো বিএসএফ শত কোটি টাকার সম্পদ, রিট ফাইল চেপে রাখা ও প্রশাসনের নীরবতার অভিযোগ

হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু


  • আপলোড সময় : বুধবার ১৩ মে, ২০২৬ সময় : ৮:২৭ পিএম

গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে ৭ জন এবং নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে ১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৩২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১৩ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত দেড় মাসে সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৪৩২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে মৃত্যুর সংখ্যা ৬৯ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৩৬৩ জন।

এই সময়ে দেশে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৭ হাজার ১৫০ জন, যা পরীক্ষায় প্রমাণিত। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৫৩ হাজার ৫৬ জন। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে ঢাকা বিভাগে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ, যা শিশুদের ক্ষেত্রে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং সময়মতো টিকা না নিলে জটিলতা ও মৃত্যুঝুঁকি বাড়ে। সাম্প্রতিক সময়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে বলে তারা মনে করছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলমান পরিস্থিতিতে বেশিরভাগ মৃত্যুই দেখা গেছে যেসব শিশু নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির বাইরে ছিল অথবা টিকার পূর্ণ ডোজ গ্রহণ করেনি। বিশেষ করে প্রত্যন্ত ও ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সংক্রমণ বেশি ছড়িয়ে পড়ছে।

চলতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি থেকে ১৩ মে সকাল ৮টা পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। এই সময়ে আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সারাদেশে টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করেছে।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হাম প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর উপায়। তারা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো শিশু যেন টিকা থেকে বাদ না পড়ে তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা হাসপাতালে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর