ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬,  ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৭ দফা দাবি না মানলে আরেকটি বিপ্লব হবে: জামায়াত আমীর আজ ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় সুইজারল্যান্ডে রুমমেটের মরদেহ উদ্ধার, বাংলাদেশি গ্রেপ্তার আজ থেকে শুরু হচ্ছে পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ডের কার্যক্রম মাঝপথেই সফর বাতিল করে দেশে ফিরলেন পোল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট মাত্র ২৮ পয়েন্টের ব্যবধানে ব্যালন ডি’অর জিতলেন হ্যারি কেইন রাশিয়ার হামলা রুখতে ইউক্রেনকে ৫০০ প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র নেতানিয়াহুকে হটিয়ে বিকল্প সরকার গঠনে আলোচনায় বিরোধীরা তাহসিফের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় বাবার মামলা, বন্ধু দ্বীপ গ্রেপ্তার ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া লংমার্চ শুরু

রামদার ৯–১০টি কোপে মৃত্যুর মুখে ছাত্রলীগ নেতা


  • আপলোড সময় : রবিবার ১৭ মে, ২০২৬ সময় : ৫:৫৯ পিএম

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বাড়বকুণ্ড ইউনিয়নে নিজ বাড়ির কাছে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের এক নেতা গুরুতর হামলার শিকার হয়েছেন। হামলায় তাঁর শরীরে ধারালো অস্ত্রের ৯ থেকে ১০টি কোপের আঘাত লাগে বলে চিকিৎসক ও স্বজনরা জানিয়েছেন। গুরুতর অবস্থায় তাঁকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে, পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং সর্বশেষ উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

আহত ব্যক্তির নাম জাকারিয়া হাসান জিলহান। তিনি সীতাকুণ্ড ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি হিসেবে পরিচিত। শনিবার (১৬ মে) রাত সোয়া আটটার দিকে বাড়বকুণ্ড ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পুরোনো ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

পরিবারের বরাতে জানা গেছে, সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে জাকারিয়ার মোবাইলে ফোন করে তাঁকে দেখা করতে বলা হয়। পরে তিনি বাড়ি থেকে প্রায় ৩০০ মিটার দূরে ওই এলাকায় গেলে সেখানে পূর্বপরিচিত একজনের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এ সময় হঠাৎ করে ধারালো রামদা দিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় দুই হাত, পা ও শরীরের বিভিন্ন অংশে গুরুতর আঘাত লাগে এবং প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে সীতাকুণ্ড উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানান, আহতের শরীরের ক্ষত এতটাই গভীর ছিল যে প্রাথমিক চিকিৎসায়ও জটিলতা দেখা দেয়। ক্যানুলা লাগাতে চিকিৎসকদেরও বেগ পেতে হয়। পরে তাঁকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকারিয়া হাসান জিলহান অভিযোগ করেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক কাজী মোহাম্মদ সাইমন এবং তাঁর ভাই কাজী মোহাম্মদ বাবলু এই হামলার সঙ্গে জড়িত। তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করে বলা হয়েছে, ঘটনাটি রাজনৈতিক নয় এবং এর পেছনে পূর্ববিরোধ থাকতে পারে।

এদিকে উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি দাবি করেছেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন বিদেশে ছিলেন এবং তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। অন্যদিকে পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং প্রাথমিকভাবে পূর্ববিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। হামলাকারীরা ঘটনার পর এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

স্থানীয় এলাকায় এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকাবাসী দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।


এ সম্পর্কিত আরো খবর