পাবনা প্রতিনিধি:
শ্রমিকদের অন্যান্য দাবির মধ্যে রয়েছে—বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বৃদ্ধি করা, বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করা এবং নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধ করা।
মানববন্ধন শেষে পাবনা জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলামের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঁচ দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি প্রদান করেন শ্রমিকরা।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, বিড়ি একটি দেশীয় শ্রমিকনির্ভর শিল্প। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বিড়িতে কোনো শুল্ক ছিল না। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্রে বিড়ি কারখানাগুলো ক্রমান্বয়ে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে শিল্পটি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেছে এবং লক্ষ লক্ষ নারী ও পুরুষ শ্রমিক বেকারত্বের ঝুঁকিতে পড়েছেন।
তারা আরও বলেন, আগামী বাজেটে বিড়ির শুল্ক বৃদ্ধি না করার দাবি জানানো হচ্ছে এবং বিড়ি শ্রমিকদের কর্মদিবস বৃদ্ধি করার অনুরোধ জানানো হয়।
বক্তারা নকল বিড়ি উৎপাদন ও বিক্রিকে এই শিল্পের বড় হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন। এতে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে এবং প্রকৃত উৎপাদনকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। এ কারণে নকল বিড়ি বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
এছাড়া বর্তমানে দেশের তামাক বাজারের বড় অংশ নিম্নস্তরের সিগারেট দখল করে আছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, বিড়ি শিল্প রক্ষায় নিম্নস্তরের সিগারেটের দাম বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি বিড়ি ফ্যাক্টরির লাইসেন্স থাকলেই ব্যান্ডরোল উত্তোলন বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তারা।
পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সভাপতি হারিক হোসেনের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বিড়ি শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি মো. নাজিম উদ্দিন, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল গফুর, আবুল হাসনাত লাভলু, পাবনা জেলা বিড়ি মজদুর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম ইসলাম, সহ-সভাপতি রাণী খাতুন, যুগ্ম সম্পাদক রমজান আলী, প্রচার সম্পাদক দুলাল মোল্ল্যা, সাংগঠনিক সম্পাদক দুলাল শেখ, কোষাধ্যক্ষ টোকন রায়, শ্রম সম্পাদক চামেলি খাতুন প্রমুখ।