ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৫ মে, ২০২৬ সময় : ১১:০১ এএম

রাজধানীর বহুল আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিডিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয়েছে।

জারি করা ওই আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন চাঞ্চল্যকর রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনি সহায়তা প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে ‘স্টেট ডিফেন্স’ বা রাষ্ট্রীয় আইনজীবী হিসেবে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দরিদ্র বা সামর্থ্যহীন আসামির আইনি অধিকার রক্ষার রাষ্ট্রীয় বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত হলো।

এদিকে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগে করা এই মামলায় ইতিমধ্যে আদালতে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তা গ্রহণ করেন এবং মামলাটি আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রমের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে এই অভিযোগপত্রটি জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ। জমা দেওয়া ওই অভিযোগপত্রে ঘটনার মূল বা প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সাথে অপরাধ সুসংগঠিত করতে এবং তথ্য গোপনের চেষ্টায় সরাসরি সহযোগিতা করার দায়ে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মামলার দ্বিতীয় আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর