ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনজীবী নিয়োগ


  • আপলোড সময় : সোমবার ২৫ মে, ২০২৬ সময় : ১১:০১ এএম

রাজধানীর বহুল আলোচিত শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আসামিপক্ষে রাষ্ট্রীয় খরচে মামলা পরিচালনার জন্য আইনজীবী (স্টেট ডিফেন্স) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (২৪ মে) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের সলিডিটর অনুবিভাগ (জিপি-জিপি শাখা) থেকে এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রশাসনিক আদেশ জারি করা হয়েছে।

জারি করা ওই আদেশ অনুযায়ী, ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন চাঞ্চল্যকর রামিসা হত্যা মামলায় আসামিপক্ষকে রাষ্ট্রীয় খরচে আইনি সহায়তা প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য ঢাকা জেলা আইনজীবী সমিতির অন্যতম সদস্য অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্লাহকে ‘স্টেট ডিফেন্স’ বা রাষ্ট্রীয় আইনজীবী হিসেবে চূড়ান্ত নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দরিদ্র বা সামর্থ্যহীন আসামির আইনি অধিকার রক্ষার রাষ্ট্রীয় বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত হলো।

এদিকে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যার অভিযোগে করা এই মামলায় ইতিমধ্যে আদালতে চূড়ান্ত তদন্ত প্রতিবেদন বা অভিযোগপত্র (চার্জশিট) জমা দিয়েছে পুলিশ। চার্জশিটের ওপর প্রাথমিক শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তা গ্রহণ করেন এবং মামলাটি আনুষ্ঠানিক বিচারিক কার্যক্রমের জন্য শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৪ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে এই অভিযোগপত্রটি জমা দেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান ভূঁইয়া নিপুণ। জমা দেওয়া ওই অভিযোগপত্রে ঘটনার মূল বা প্রধান আসামি সোহেল রানার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ আনা হয়েছে। একই সাথে অপরাধ সুসংগঠিত করতে এবং তথ্য গোপনের চেষ্টায় সরাসরি সহযোগিতা করার দায়ে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মামলার দ্বিতীয় আসামি হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে।


এ সম্পর্কিত আরো খবর