ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

বন্দুকযুদ্ধের' নাটক: ৮ পুলিশের বিচার শুরু আজ


  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:০৩ পিএম

যশোরের চৌগাছায় গ্রেপ্তারের পর বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে ছাত্রশিবিরের দুই নেতাকে গুলির ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তৎকালীন পুলিশ সুপার (এসপি) আনিসুর রহমানসহ আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হচ্ছে আজ। সোমবার (১ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে মামলাটির সূচনা বক্তব্য (ওপেনিং স্টেটমেন্ট) উপস্থাপন ও সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এ মামলায় বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন তিন আসামি। তারা হলেন—চৌগাছা থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আকিকুল ইসলাম, কনস্টেবল সাজ্জাদুর রহমান ও কনস্টেবল জহরুল হক।

পলাতক আসামিরা হলেন—তদানীন্তন এসপি আনিসুর রহমান, চৌগাছা থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান, এসআই মোখলেছ, এসআই জামাল ও এসআই মাজেদুল। এর আগে, ২০ এপ্রিল আট আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ (ফরমাল চার্জ) গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন গ্রেপ্তার আসামিরা। পরে সূচনা বক্তব্য ও সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৬ সালের ৩ আগস্ট চৌগাছা উপজেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি ইসরাফিল হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক রুহুল আমিনকে একটি মিথ্যা মামলায় আটক করে পুলিশ। আদালতে হাজির না করে তাদের টানা দুই রাত নির্যাতন করা হয়। পরে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়ে অধীনস্থ পুলিশ সদস্যদের মাধ্যমে দুজনের পায়ে গুলি করানো হয়। অভিযোগে আরও বলা হয়, গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর শিবিরের এই দুই নেতার ক্ষতস্থানে বালু ঢুকিয়ে গামছা দিয়ে বেঁধে মিথ্যা মামলায় চালান দেওয়া হয়। পরবর্তীতে অস্ত্র মামলাটি মিথ্যা প্রমাণিত হয়। এছাড়া ভুক্তভোগীদের পায়ে বালু ঢোকানোর কারণে পচন ধরে এবং শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকের পরামর্শে তাদের পা কেটে ফেলতে হয়। এই বর্বর নির্যাতনের ঘটনায় ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।


এ সম্পর্কিত আরো খবর