ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬,  ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাপানের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বড় বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান তারেক রহমানের বাউফলে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শ্রেণিকক্ষে কিন্ডারগার্টেন ও দুর্নীতির অভিযোগ ঠাকুরগাঁও উপনির্বাচন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিশ্চিত করেছে ইসি ইসরায়েলে নির্বাচন: ৬০ শতাংশ ভোট গণনা শেষ, এগিয়ে নেতানিয়াহুর দল খাদ্যে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করতে দ্রুত আইন প্রণয়নের তাগিদ প্রতিমন্ত্রীর ক্রসফায়ার মন্তব্যে কোণঠাসা আইজিপি, আলোচনায় ব্যারিস্টার মো. জিল্লুর রহমান রংপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্প ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪ নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাসই গড়বে সুস্থ প্রজন্ম: মীর শাহে আলম নাটোরে প্রবাসীর শপিং মলে হামলা ও লুটপাট, ৫ কোটি টাকার ক্ষতি জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিতে চায় না বিএনপি সরকার: প্রতিমন্ত্রী

টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন আরসিবি


টানা দ্বিতীয়বার আইপিএল চ্যাম্পিয়ন আরসিবি

  • আপলোড সময় : সোমবার ০১ জুন, ২০২৬ সময় : ৪:০৯ পিএম

আইপিএলের মেগা ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা নিজেদের ঘরে তুলল রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (আরসিবি)। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে গতকালকের (৩১ মে) ম্যাচে ১২ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আরসিবি। চেন্নাই সুপার কিংস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের পর ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ইতিহাসে মাত্র তৃতীয় দল হিসেবে টানা দুই আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার অনন্য গৌরব অর্জন করল তারা।

ম্যাচে টসে হেরে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় গুজরাট টাইটান্স। পাওয়ার প্লে-র মধ্যেই সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক শুভমন গিল (১০) ও সাই সুদর্শন (১২)। রসিখ সালাম, জশ হ্যাজেলউড ও ভুবনেশ্বর কুমারের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে জস বাটলারও (১৯) বড় ইনিংস খেলতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে চরম বিপদে পড়া গুজরাটকে টেনে তোলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। তিনি খেলেন একটি লড়াকু হাফ-সেঞ্চুরির (৫০) ইনিংস। শেষদিকে আরশাদ খানের ৬ বলে ১৫ রানের ক্যামিওতে ভর করে ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রানের সম্মানজনক পুঁজি পায় গুজরাট টাইটান্স। বেঙ্গালুরুর পক্ষে তরুণ পেসার রসিখ সালাম ৩টি এবং হ্যাজেলউড ও ভুবনেশ্বর ২টি করে উইকেট নেন।

১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিলেন বিরাট কোহলি। ইনিংসের শুরুতে ভেঙ্কটেশ আইয়ারের (১৬ বলে ৩২) সাথে ঝোড়ো সূচনা এনে দেন তিনি। মাঝে রশিদ খান জোড়া আঘাত হেনে কিছুটা চাপ তৈরির চেষ্টা করলেও একপ্রান্ত আগলে রেখেছিলেন কোহলি। ইনজুরির ধাক্কা সামলে কোহলি তুলে নেন আইপিএল ক্যারিয়ারের অন্যতম দ্রুততম হাফসেঞ্চুরি। রজত পাতিদার (১৫) বা টিম ডেভিডরা (২৪) আউট হলেও ম্যাচ সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণেই রেখেছিলেন কোহলি। শেষ পর্যন্ত তিনি ৪২ বলে ৭৫ রান করে অপরাজিত থাকেন, যার মধ্যে ছিল ৯টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। ১৮তম ওভারেই ৫ উইকেট হারিয়ে ১৬১ রান তুলে অনায়াসে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় বেঙ্গালুরু। এই মহাকাব্যিক জয়ের পর আরসিবি শিবিরে এখন বইছে উৎসবের আমেজ।


এ সম্পর্কিত আরো খবর