ঢাকা, বাংলাদেশ ।
  রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬,  ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শক্তিশালী স্থানীয় সরকারের বিকল্প নেই: ড. আবদুল মঈন খান স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই: মীর শাহে আলম দুপুরের মধ্যেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বাংলাদেশ: কমবে লোডশেডিং এমপিও শিক্ষকদের নির্বাচন ভাগ্য নির্ধারণ করবে ইসি: মীর শাহে আলম সরকারি কেনাকাটায় পুকুরচুরি ঠেকাতে আসছে অভিন্ন একক দরতালিকা সাগর-রুনি হত্যার বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে লিখিত অভিযোগ তারুণ্য না অভিজ্ঞতা: ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব চয়নে জটিল হিসাব-নিকাশ আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন চ্যালেঞ্জের রিট খারিজ হাইকোর্টে ইন্দোনেশিয়ায় ২৪০ যাত্রী নিয়ে জাহাজ নিখোঁজ ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত, আটক ২

আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: অর্থমন্ত্রী


  • আপলোড সময় : বৃহস্পতিবার ১১ জুন, ২০২৬ সময় : ৯:০৭ পিএম

ব্যাংক খাতে আমানতকারীদের আস্থা ফেরাতে এবং তাদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করতে বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত মেগা বাজেট উপস্থাপনকালে এই ঘোষণা দেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। 

বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী দৃঢ়তার সাথে বলেন, আমানতকারীদের অর্থ ফেরত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা ব্যাংক পুনর্গঠনের সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নিয়েছি। এই লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে দুর্বল ব্যাংকগুলোর পুনঃমূলধনীকরণ বা আর্থিক ভিত্তি শক্তিশালী করতে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে। ব্যাংক খাতে সরকারের এই প্রকাশ্য ঘোষণাকে আমানতকারীদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আশ্বস্তকারী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী আরও জানান, শুধুমাত্র অর্থ দেওয়াই নয়, ব্যাংক খাতের দীর্ঘমেয়াদি উন্নতির জন্য খেলাপি ঋণ কমানো, ঋণ অনুমোদনের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং ব্যাংক পরিচালনায় যেকোনো ধরনের রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ পুরোপুরি বন্ধ করার কঠোর উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

গণতান্ত্রিক, মানবিক অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রাপ্রতিপাদ্য নিয়ে পেশ করা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেটের মোট আকার ধরা হয়েছে লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, যার ফলে সামগ্রিক বাজেটে নিট ঘাটতি দাঁড়াচ্ছে লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা।

বাজেটের এই বিশাল ঘাটতি পূরণে সরকার অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা (যার মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে লাখ ১২ হাজার কোটি এবং সঞ্চয়পত্র অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা) এবং বৈদেশিক ঋণ অনুদান থেকে লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা করেছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ধরা হয়েছে ৬৮ লাখ ৩০ হাজার ২৪ কোটি টাকা। আগামী অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি দশমিক শতাংশে নামিয়ে আনা এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি দশমিক শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে এই বাজেট প্রস্তাব পেশ করা হয়। এটি দেশের ৫৫তম বাজেট। এছাড়া, বর্তমান সরকারের মেয়াদে অর্থমন্ত্রী হিসেবে এটি আমির খসরুর প্রথম বাজেট উপস্থাপন।

নিয়ম অনুযায়ী, সংসদে উপস্থাপনের আগে বাজেটটি মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এতে সম্মতি জানান। জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হবে নতুন এই অর্থবছর।


এ সম্পর্কিত আরো খবর